দু’বছর যেতেই ফের চার-ছক্কার উন্মাদনায় মাততে প্রস্তুত ক্রিকেটবিশ্ব। নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলগুলোর বিশ্লেষণপূর্বক এ আয়োজনে আজ থাকছে ইংল্যান্ড
সম্ভাবনা
‘বাজবল’ দিয়ে ক্রিকেটের ধরন বদলাতে চলা দলটি দারুণভাবে হোঁচট খেয়েছিল গত ওয়ানডে বিশ্বকাপে। আগেরবারের চ্যাম্পিয়নরা উঠতে পারেনি সেমিফাইনালে। ৭ নম্বরে থেকে আসর শেষ করা ইংল্যান্ডের সাদা বলের কোচ ম্যাথিউ মটের জন্য এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিজেকে প্রমাণের মঞ্চ। কেননা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপাটিও থ্রি লায়ন্সের দখলে। এবারের আসরে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে শক্তিমত্তার জায়গা তাদের বিধ্বংসী ব্যাটিং লাইনআপ। দলে অপেক্ষাকৃত নবীন ফিল সল্ট, উইল জ্যাকস, হ্যারি ব্রুকরা ব্যাটকে তরবারির মতো করে চালাতে সিদ্ধহস্ত। মইন আলি, স্যাম কারেন, লিয়াম লিভিংস্টোনের মতো অলরাউন্ডাররা বিশ্বসেরা। তবে পেস বোলিং হতে পারে খানিক আশঙ্কার বিষয়।
স্কোয়াড
জস বাটলার (অধিনায়ক, উইকেটকিপার)
ব্যাটার : জনি বেয়ারস্টো, হ্যারি ব্রুক, ফিল সল্ট, উইল জ্যাকস, বেন ডাকেট
অলরাউন্ডার : লিয়াম লিভিংস্টোন, মইন আলি, স্যাম কারেন
স্পিনার : আদিল রশিদ, টম হার্টলি
পেসার : ক্রিস জর্ডান, মার্ক উড, রিস টপলি, জোফরা আর্চার
এক্স ফ্যাক্টর
ইংল্যান্ডের জার্সিতে ৪৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন দেশটির ক্রিকেটের কারেন বংশের সবচেয়ে ছোটজন স্যাম। ছিলেন গতবারের চ্যাম্পিয়ন দলেও। ফাইনালে তার ১২ রানে ৩ উইকেটের স্পেল ও ৬ ম্যাচে ১৩ উইকেটের ব্যাপক ভূমিকা শিরোপা জয়ে। ২৫ বছরের স্যাম এবার আরও পরিণত। আইপিএলে অধিনায়কত্বের চাপ বিশ্বকাপে নির্ঘাত কাজে দেবে। সেই সঙ্গে প্রয়োজনের মুহূর্তে জ্বলে উঠতে পারার ক্ষমতা এক্স ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে ইংল্যান্ডের জন্য।
