গরমে অতিরিক্ত তেল মসলার খাবার খেলে হাঁসফাঁস লাগে। তাই অতিরিক্ত তেলের খাবার না খেতে পারামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। গরমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো থেকে অ্যানিমিয়ার কমানোর মতো গুণ রয়েছে সূর্যমুুখী বীজের। এ ছাড়াও রক্তের কোলেস্টেরল কমিয়ে হার্ট ভালো রাখে। তাই নিয়মিত সাদা তেলের রান্না খেলে স্বাস্থ্যের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। সূর্যমুখী তেল দিয়ে খাবার রেঁধে খেতে বলেন। কারণ সূর্যমুখীর নানা গুণ রয়েছে।
অ্যানিমিয়া কমায় : সূর্যমুখী বীজের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। এই আয়রন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি শরীরের ক্লান্তিভাব দূর করে।
ত্বক ভালো রাখে : সূর্যমুখী তেলের মধ্যে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে। এই উপাদানগুলো ত্বকের ভেতরের ময়লা দূর করে। ত্বক ছিদ্র পরিষ্কার করে ত্বকের জেল্লা এনে দেয়।
ক্যানসার প্রতিরোধ করে : সূর্যমুখী বীজ থেকে নিষ্কাশিত তেলের মধ্যে বেশ বিটা সিটোস্টেরল পাওয়া যায়। এটি স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ ছাড়ও টিউমার কোষের বৃদ্ধি ব্যাহত করে এই তেল। এতে
থাকা অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দেয়।
হার্টের জন্য ভালো : সূর্যমুখী বীজের মধ্যে থাকা ওলেয়িক অ্যাসিড ও লিনোলেয়িক অ্যাসিড হার্টের জন্য বেশ উপকারী। পাশাপাশি এর মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম ম্যাগনেশিয়ামের মতো জরুরি ইলেকট্রোলাইট। এই দুই ইলেকট্রোলাইট হার্টের জন্য বেশ উপকারী।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে সূর্যমুখী বীজ। এর মধ্যে একদিকে যেমন রয়েছে ভিটামিন ই, জিঙ্ক, অন্যদিকে রয়েছে সেলেনিয়াম। এই উপাদানগুলো প্রদাহ কমিয়ে অনাক্রম্যতা জোরদার করে।
কোলেস্টেরল কমায় : রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যার থেকে হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেলের মতো ঘটনা ঘটে। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করে সূর্যমুখী বীজ।
