বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বাজেট’ বলে কোনো শব্দ নেই। বাজেট পেশ, পাস ও বাস্তবায়নের কোনো তরিকার উল্লেখ নেই। সংবিধানে আছে অর্থবিল বা অর্থ আইন সংসদে উপস্থাপন, তার ওপর আলোচনা, বরাদ্দ বিভাজন, কণ্ঠভোটে (বিরোধী দলের অতি ক্ষীণ কণ্ঠ আওয়াজের বিপরীতে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েই থাকে) পাস করা প্রস্তাব মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ ও অনুমোদন। সরকার অর্থ বিলে যে সংখ্যাতাত্ত্বিক প্রস্তাব পেশ করে তার একটা দৈহিক অবয়ব সংসদের মাধ্যমে জনগণের কর্ণকুহরে পৌঁছানোর জন্য অর্থমন্ত্রী স্পিকারকে উদ্দেশ করে একটা লিখিত বক্তৃতা দেন। সেটিই বাজেট বক্তৃতা বলে বিবেচিত। এই বক্তৃতাতেই সরকারের তরফে জনগণের কাছে কৈফিয়ত, ব্যাখ্যা ও প্রত্যাশার মর্মবাণী উচ্চারিত হওয়ার কথা। যুগ যুগ ধরে অর্থমন্ত্রী মহোদয়রা মন্ত্রিসভার অনুমোদনক্রমে স্বকণ্ঠে বাজেট বক্তৃতা সংসদে উপস্থাপন করে আসছেন। ইদানীং বাজেট বক্তৃতার কলেবর বাড়িয়ে নিজেদের গুণকীর্তন, পুরনো প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন ব্যাখ্যা না দিয়েই নতুন প্রতিশ্রুতির ঢাকঢোল পিটিয়ে পেশ করা হয়। নির্বাচনের আগের এক বছর বা দুবছর আগে থেকেই এই নির্বাচনী বাজেট বক্তৃতাকে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার হিসেবে পরিগণিত হয়ে যায়। জাতীয় বাজেট হয়ে যায় দলীয় বাজেট।
বাংলাদেশে বাজেট বক্তৃতার কলেবর বেড়েই চলছে। এটিকে রাজনৈতিক অর্থনীতির ঘোষণাপত্র হিসেবে উপস্থাপনের প্রয়াস বলা যায়। অর্থমন্ত্রী নিজে এটি স্বকণ্ঠে পেশ করতে না পারলে পাওয়ার পয়েন্টে সারমর্ম দেখানোর সুযোগ তিনি নিতে পারেন। ২০১৯ সালের পর থেকে অর্থমন্ত্রীর অসুস্থতার আড়ালে বাজেট বক্তৃতার বপু বেড়ে গিয়েছে, এটি সেমিনারে মুখ্য পেপারে পরিণত হয়েছে। সেই বক্তৃতার পরতে পরতে থাকে সরকারপ্রধানের গুণকীর্তন। এরপর নিজেদের (দলীয়) অর্থনীতির শনৈঃ শনৈঃ ঊর্ধ্বগতির বয়ানের মহাসুযোগ তিনি নিয়ে থাকেন। এ পর্যায়ে এটি মনে হবে সরকারের বিজ্ঞাপন। এরপর অতি সংক্ষেপে কিছু নতুন কর্মসূচি ও প্রত্যাশার কথা বলে বক্তৃতার সমাপ্তি ঘটে। আমজনতা হাতে সময় নিয়ে টিভির দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ক্লান্ত বোধ করে। বাজেটের মাধ্যমে নতুন নতুন কর আরোপ কিংবা কর ছাড়ের প্রস্তাব পেশ করা হয়। আগে বাজেট বক্তৃতার আকার এমন পর্যায়ে থাকত যে, পুরো বক্তৃতাটি পত্রিকায় ছাপিয়ে দেওয়া হতো, আমজনতা যার যার সুযোগ মতো তা পড়ে হৃদয়ঙ্গমের চেষ্টা করত। এখন বাজেট বক্তৃতা এত বড় হয় যে, মিডিয়া তার প্রধান প্রধান অংশ চয়ন করে সচিত্র (পাই বা বার চার্টে) উপস্থাপনার মাধ্যমে জনগণকে জানাবার স্বউদ্যোগ নিয়ে থাকে। বলা বাহুল্য মিডিয়াই এখন বাজেটের বা বাজেট বক্তৃতার ধারকবাহক ও প্রচারক। কিন্তু তাতে হচ্ছে কী? সরকার, সংসদ ও জনগণের মধ্যে একটি দেয়াল তৈরি হচ্ছে। বাজেটের প্রতি মানুষের আগ্রহ উঠে যাচ্ছে এর বাস্তবায়ন নিয়ে কথা বলতে পারছে না। সম্পূরক বাজেট পাশের প্রাক্কালে কোনো চুলচেরা বিশ্লেষণ ও নির্দেশনা আসছে না। ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার পরের দিন থেকে সবাই কুম্ভকর্ণের ঘুমে চলে যায়, আগামী বছর মার্চ-এপ্রিলে আবার বাজেট আলোচনার উৎসব শুরু হওয়া অবধি।
পরম বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশের চিন্তাচেতনা ও ভাববন্ধনকে বাক্সময় করে তোলা হয় তাদের মহৎ সব কর্মকান্ডাকে উদাহরণ টেনে এনে। কিন্তু তাদের বাজেট বক্তৃতার অবয়ব ও মর্মবাণী অনুসরণের বেলায় অন্ধ, অজ্ঞ সাজার ক্ষেত্রে কোনো কার্পণ্য নেই বাংলাদেশের। ভারতীয় অর্থনীতির অবয়ব, বিশাল কর্মযজ্ঞ সবই মাত্র ১৯ পৃষ্ঠার বাজেট বক্তৃতার মধ্যে সীমিত রাখার ব্যাপারে বাংলাদেশ নিশ্চুপ। ভারতের চলতি অর্থবছরের বাজেটটি মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে সে দেশের সংসদে পেশ ও পাস হয়। প্রসঙ্গত, এ বছর ভারতের লোকসভা নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনী বছরে তাদের বাজেট বক্তৃতায় সরকারের প্রচার ও প্রশংসার জন্য ছিটেফোঁটা বক্তব্য নেই। শ্রীমতী নির্মলা সিতারামান ভারতের অর্থ ও করপোরেট অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী। তিনি এতটাই অসম্পদশালী যে, এবারের সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য তার নেই বিধায় তিনি নির্বাচনে দাঁড়াবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। আমাদের এখানে জনপ্রতি মাত্র ৫০,০০০ টাকায় নমিনেশন পেপার বিক্রি করে ক্ষমতাসীন দলের ১৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে বলে মিডিয়ায় রিপোর্ট রয়েছে। এরপর নির্বাচনে মনোনীত ও নির্বাচিত প্রার্থীদের সম্পদের পাহাড় পাঁচালী দেখে নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলো নড়েচড়ে বসেছে কিনা এখনো জানা যায়নি।
সংসদীয় গণতন্ত্রে বাজেট প্রণয়ন, পর্যালোচনা ও পাসের এখতিয়ার সংসদের। সংসদের পূর্ণ দায়িত্ব কর আরোপের এবং পাবলিক মানি বরাদ্দ ও ব্যয়ের অনুমোদন তত্ত্বাবধানের। অর্থ বিলে যে পরিমাণ অর্থ অনুমোদিত থাকবে তার মধ্যে থেকে আয়-ব্যয় নির্বাহের জন্য নির্বাহী বিভাগ ক্ষমতাপ্রাপ্ত। এর বাইরে যে কোনো প্রকার আয়-ব্যয়, ধার-কর্জ গ্রহণের নীতি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন আলাদাভাবে সংসদের সম্মতি এবং অনুমোদনে হতে হয়। এর ব্যত্যয় সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় তথা বাজেট বাস্তবায়নে জবাবদিহির পরিবেশ হলাহলপূর্ণ হয়ে ওঠে। বাজেট যেহেতু নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনার পথনকশা এবং জনগণের কাছে সরকারের দায়বদ্ধতার দলিল, সেহেতু সংসদে উত্থাপিত বাজেট প্রস্তাব চুলচেরা বিশ্লেষণ ও অনুমোদন সুপারিশে সংসদে বাজেট বিতর্কের তাৎপর্য ও ভূমিকার মাধ্যমেই অর্থবহ উঠতে পারে এবং তার ভিত্তিতে বাজেট বাস্তবায়ন সুশাসিত ও জবাবদিহি সুনিশ্চিত হয়।
ভারতে ব্রিটিশ শাসনের শেষভাগে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপনা পর্ষদে (শেরেবাংলা একে ফজলুল হক প্রমুখের বাজেট বিতর্ক) এমনকি তদানীন্তন পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে বাজেট নিয়ে যে আলোচনা হতো, তা পাঠ-পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একটি ঔপনিবেশিক শাসন কাঠামোতেও আইন পরিষদে বাজেটে অর্থনীতির নীতি কৌশল নিয়ে প্রাণবন্ত অথচ জ্ঞানগর্ভ আলোচনা হতো। তাতে তথ্য-উপাত্তের সঙ্গে যুক্তিতর্কের সুমহান সম্মিলন ঘটত। পাকিস্তান শাসন আমলে বিশেষ করে ৬ দফা আন্দোলন চলাকালীন সময়েও বাজেটে দেশের উভয় অংশের উন্নয়ন কৌশলে বৈষম্য ও বঞ্চনার প্রেক্ষাপট উত্থাপিত হতো। সেগুলো সংসদের বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও রাজনীতি বিভাগের প্রাজ্ঞ প-িতপ্রবরদের বাজেট বিশ্লেষণে ধরা পড়ত এবং সেগুলো পৌঁছে যেত স্বাধিকার আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী নেতৃবৃন্দ এবং আইন পরিষদ তথা ও দায়িত্বশীলদের দৃষ্টিসীমায়। সে সময়কার বাজেট বিতর্ক বিনির্মাণে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা এবং প্রাজ্ঞ আলোচনার সুযোগের সদ্ব্যবহার চলত। সংসদে আর্থিক নীতি ও কৌশল নিয়ে বাজেট বিতর্ক বিশে^র বহু দেশে রাজনৈতিক অর্থনীতির মাইলফলক হিসেবে দেখা হয়।
স্বাধীন বাংলাদেশেও সেই প্রথম থেকে বাজেট প্রণয়ন ও নীতি বিশ্লেষণের ধারায় অনেক নতুন প্রবণতা, প্রাকরণিক প্রৎকর্ষতা বিশেষ করে বাজেটের প্রতি গণ-আগ্রহ ও অবহিতির ব্যবস্থা ছিল বা আছে। এটাও ঠিক, মিডিয়ার ভূমিকায় বাজেট প্রণয়ন ও বিশ্লেষণে সম্প্রতি অনেক সংস্কার সাধিত হয়েছে। চিন্তা চৌবাচ্চা সিপিডিসহ সুশীল সমাজ বাজেট বিশ্লেষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সংসদে বাজেট পেশের মাস তিনেক আগে থেকে শুধু নয়, জাতীয় বাজেটের ওপর সংসদসহ সর্বত্র তর্ক-বিতর্কের বছরব্যাপী অবকাশ অবকাঠামো গড়ে ওঠা দরকার। বাজেটের সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাসহ উন্নয়ন দর্শন ও নীতিকৌশল নিয়ে বিতর্কের (যা উদীয়মান অর্থনীতির জন্য, ভবিষ্যৎ পথনকশা নির্ণয়-নির্ধারণের জন্য জরুরি) চাইতে অতি তাৎক্ষণিক বিষয়, তাদের সাময়িক প্রভাব নিয়ে সংসদের ভেতর-বাইরেও নিয়মিত পর্যালোচনা ও তুখোড় সমালোচনার অবকাঠামো গড়ে ওঠা দরকার। দেখতে হবে সে আলোচনার ভিড়ে বাজেটে প্রক্ষেপিত অর্থনীতিতে অর্জিত সম্পদ ব্যবস্থাপনার নীতি কৌশল, উন্নয়ন অভিপ্সার অভিসার, দেশকে স্বয়ম্ভরতার পথে নিয়ে যাওয়ার পথনকশায় গতি-প্রকৃতি শনাক্তকরণ ও সমালোচনার সুযোগ যেন হারিয়ে না যায়।
বাজেট শুধু ব্যবসায়ী, আয়বৈষম্য সৃষ্টির দ্যোতক হিসেবে নয়, বাজেট হওয়া উচিত জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা প্রণীত ও বাস্তবায়িত হওয়ার পথনকশা। যাদের বাজেট তাদের মতামত সেখানে প্রতিফলিত হওয়া বাঞ্ছনীয় এ জন্য যে, তাহলে সবার সক্রিয় অংশগ্রহণে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সম্পদের সুষম বণ্টন সম্ভব হয়। বাজেট বাস্তবায়নের দ্বারা সুফল প্রাপ্তিতে পক্ষপাতিত্ব, এক দেশদর্শিতা, বৈষম্য ও বঞ্চনা বৃদ্ধি কিংবা কর রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতিপক্ষতার পরিবেশ সৃষ্টি সমন্বিত উন্নয়ন সাধন ধারণার পরিপন্থী। সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে বাজেট প্রস্তাব প্রণয়ন ও পরীক্ষা এবং বাজেট বাস্তবায়ন-উত্তর সম্পূরক বাজেট অনুমোদনে জবাবদিহিমূলক পন্থায় না গেলে একটি ‘গণপ্রজাতন্ত্রী’ দেশের বাজেট তার স্বৈরাচারী বলয় থেকে বের হতে পারবে না।
বাংলাদেশের মতো উদীয়মান অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষ করকে পরোক্ষ করের চেয়ে গুরুত্ব ও কার্যকরকরণের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আনা হবে আবশ্যক। ভ্যাটের ওপর গুরুত্ব বাড়াতে গিয়ে প্রত্যক্ষ কর (আয়কর)-এর প্রতি মনোযোগ হ্রাস পাওয়া উচিত নয়, কেননা প্রত্যক্ষ করই কর ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার অন্যতম উপায়। আয়কর সংস্কার ও আহরণে কার্যকর জোর পদক্ষেপ গ্রহণে গুরুত্ব আরোপের দৃষ্টিভঙ্গি নড়বড়ে হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং সম্পদের বণ্টন বৈষম্য দূরীকরণে প্রত্যক্ষ করের গুরুত্ব লঘু করে পরোক্ষ কর ভ্যাটের ওপর ভরসা করে রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়ায় প্রত্যক্ষ কর বাড়াতে না পারায় পরোক্ষ করের ওপর চাপ বাড়ছে। এটা যুক্তিযুক্ত পদক্ষেপ নয়। দুর্নীতিজাত কালো টাকাকে বিনা জিজ্ঞাসায় অর্থনীতির মূল ধারায় আনার আবদারে রাজস্ব আহরণ ক্ষেত্রে নৈতিকতাবিরোধী ও নিয়মিত করদাতাকে নিরুৎসাহিত করার পদক্ষেপ হয়ে চলেছে আত্মঘাতী।
পাবলিক সেক্টরের অদক্ষতা ও দুর্নীতির দায়ভার বেসরকারি সেক্টরের ওপর চাপানোর প্রয়াস পরিত্যাজ্য। রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সংস্থাগুলোর কাছে জমা আছে অনাদায়ী সরকারের বিপুল পাওনা। এখনো অনেক প্রতিষ্ঠানকে সরকারি অনুদান বা ভর্তুকি দেওয়া হয়, যা সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার জন্য সুখকর নয়। বাংলাদেশে বাজেট বাস্তবায়নে অর্থায়ন ও অর্থ ব্যয় সঠিকভাবে করতে না পারায় প্রতিবছরই বাজেট সংশোধন করতে হয়। তাই বাজেট বাস্তবায়নে বছরের শুরু থেকেই সুষ্ঠু তদারক করা জরুরি। বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। সম্পূরক বাজেট পাসের সময় সংসদে জোর আলোচনা হওয়া উচিত। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তদারকি ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। কর আদায়, উন্নয়ন বাজেট ও বিদেশি অর্থায়ন তিনটি ক্ষেত্রে উচ্চাভিলাষের প্রবণতা পরিহার করা প্রয়োজন। শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা দিয়ে দক্ষতার সঙ্গে বাজেট বাস্তবায়ন করা যায় না। বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়ন করারও একটা রাজনৈতিক অর্থনীতি আছে।
লেখক: উন্নয়ন অর্থনীতি বিশ্লেষক
[email protected]
