মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

৬৭০ জনের বেশি চাপা পড়ার শঙ্কা জাতিসংঘের

আপডেট : ২৭ মে ২০২৪, ১২:৪৯ এএম

দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপদেশ পাপুয়া নিউগিনিতে ভয়াবহ ভূমিধসে ৬৭০ জনের বাসিন্দা চাপা পড়েছে বলে অনুমান জাতিসংঘের। দেশটির উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এনগা প্রদেশের কাওকালাম গ্রামে ভূমিধসে কয়েকশ ঘরবাড়ি চাপা পড়েছে। গতকাল রবিবার জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ কথা জানায়।

পাপুয়া নিউগিনির আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার প্রধান সেরহান আক্তোপ্রাক বিবিসিকে বলেন, ‘এনগা প্রদেশে বৃহস্পতিবারের ভূমিধসের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রভাব প্রাথমিকভাবে যা ধারণা করা হচ্ছে তার চেয়ে অনেক বেশি।’ তিনি বলেন, আনুমানিক ১৫০টিরও বেশি ঘর মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোর বেশিরভাগই এনগা প্রদেশের উচ্চভূমিতে অবস্থিত ছিল।

আক্তোপ্রাক বলেন, উদ্ধারকারীরাও ঝুঁকিতে রয়েছে, কারণ এখনো ভূমিধস হচ্ছে। পানি ফুরিয়ে আসছে, যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।’

এনগা প্রদেশের যে এলাকায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে সেখানে প্রায় ৪ হাজার মানুষের বাস।  কেয়ার অস্ট্রেলিয়া নামের একটি সংস্থা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে। সংস্থাটি বলছে, ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ আশপাশের এলাকায় উপজাতি গোত্রগুলোর মধ্যে সংঘাতের কারণে অনেক লোক এনগা প্রদেশের এসব গ্রামে পালিয়ে এসেছিল।

আক্তোপ্রাক বলছিলেন, অন্তত এক হাজার লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে। খাদ্য উৎপাদনের বাগান ও পানির উৎস প্রায় পুরোপুরি মুছে গেছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে, যখন মানুষের ঘুমিয়ে থাকার কথা।

কেয়ার অস্ট্রেলিয়ার মুখপাত্র বলেন, ভূমিধসে হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনই জানা সম্ভব না। তবে এটা বলা যায়, যে সময় ভূমিধস হয়েছে তাতে ধারণা করা যায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আক্তোপ্রাক বলেন, সাহায্যকারীরা মৃতদেহ উদ্ধারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উপায় ব্যবহার করছেন। তারা মাটি খুঁড়তে কোদাল, লাঠি ও কৃষিকাজের বড় আঙ্কশি ব্যবহার করছেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত