ভারতের লোকসভা নির্বাচনে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। মোট ৫৪৩টি আসনে সাত দফায় ১৯ এপ্রিল থেকে ১ জুন পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়েছে। চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচনে রেকর্ড পরিমাণ ৬৪ কোটিরও বেশি মানুষ ভোট দিয়েছে।
ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, কোনো দল বা জোট যদি সরকার গঠন করতে চায় তাহলে তাদের লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ২৭২টিতে জয় পেতে হবে। দেশটির এবারের লোকসভা নির্বাচনে দুটি বড় জোটের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা গেছে। দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং অন্যটি কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইনডিয়া জোট।
নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই বুথ ফেরত জরিপে বলা হয়, নরেন্দ্র মোদির বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট লোকসভার ৩৬৫টি আসনে জয় পেতে যাচ্ছে। অপরদিকে ইনডিয়া জোট পাবে ১৪২টি আসন। এছাড়া বুথ ফেরত জরিপে পশ্চিমবঙ্গে মমতাকে হারিয়ে মোদির জয় হবে বলে জানানো হয়।
কিন্তু প্রকৃত হিসাবে দেখা যাচ্ছে, বুথ ফেরত হিসাব অনুযায়ী কিছুই মিলছে না। এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, লোকসভা নির্বাচনের পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ পেয়েছে ২৯২টি আসন এবং কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইনডিয়া জোট পেয়েছে ২৩২টি আসন। এর আগে ২০১৯ সালে এনডিএ পেয়েছিল মোট ৩৫২টি আসন এবং ইনডিয়া জোট পেয়েছিল মাত্র ৯১টি আসন।
এছাড়া এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলে পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস অনেকটা এগিয়ে রয়েছে। প্রাথমিক ফলাফলে পশ্চিমবঙ্গে ৪২ আসনের মধ্যে ৩০টি আসনে এগিয়ে আছে তৃণমূল কংগ্রেস এবং ১২টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। এ রাজ্যে একদম পিছিয়ে পড়েছে বাম এবং কংগ্রেস।
তবে পশ্চিমবঙ্গে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দুর্দান্ত ফল করেছিল বিজেপি। সেবার ১৮টি আসন পেয়েছিল গেরুয়া শিবির। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল গত লোকসভা নির্বাচনে পেয়েছিল ২২টি আসন।
এবারের লোকসভা নির্বাচনে ছয়টি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দল ছাড়াও আড়াই হাজারের মতো প্রাদেশিক রাজনৈতিক দল নিজস্ব প্রতীকে লড়ছেন। নির্বাচনী যুদ্ধে সামিল হয়েছেন প্রায় ১৪ হাজার প্রার্থী। মঙ্গলবার তাদের প্রত্যেকের ভাগ্য জানা যাবে।
মমতা-অভিষেক জুটিতেই বাংলায় সবুজ ঝড়
কেউ কথা রাখেনি কেজরিওয়ালের, দিল্লিতে এগিয়ে যে দল