ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জিতলেও শেষ ম্যাচটি হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই হারের ক্ষত শুকানোর আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সিরিজ হাতছাড়ায় হয় নাজমুল হোসেন শান্তদের। তারপর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে তারা ভারতের কাছে হারে বড় ব্যবধানে। শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বিশ্বকাপের মিশন।
সেই ম্যাচের ভেন্যু গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে কেবল একদিন অনুশীলন করেছেন শান্তর। সেটা গত বুধবার। মাঠ থেকে ৩০ মাইল দূরে একটি ইনডোর ক্রিকেট একাডেমিতেই অনুশীলন হয়েছে বেশি। একদমই মৌলিক কিছু সুযোগ-সুবিধার ইনডোর এটি, বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক ম্যাচের লড়াইয়ের যথাযথ প্রস্তুতি এখানে সম্ভব নয় কোনোভাবেই। এমনকি ম্যাচের আগের দিন দলের ঐচ্ছিক অনুশীলন হয়েছে এখানেই।
যদিও নেটে অনুশীলনের সুযোগ ছিল, কিন্তু বাংলাদেশ দল বেছে নিয়েছে ওই ইনডোরকেই। ম্যাচের আগের দিনের সেই অনুশীলনে ছিলেন না প্রধান কোচ চান্দিকা হাথুরুসিংহে। সব মিলিয়ে কেমন যেন একটা গা-ছাড়া ভাব। বাংলাদেশের অধিনায়ক শান্ত অবশ্য তা স্বীকার করতে চাইলেন না।
সংবাদ সম্মেলনে প্রস্তুতির প্রশ্ন উঠল বেশ কিছু। অধিনায়ক ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারবারই দাবি করলেন, তারা দারুণভাবেই প্রস্তুত, ‘প্রস্তুতির দিক থেকে বলতে গেলে সবাই ভালোভাবে প্রস্তুত। সুযোগ-সুবিধা যতটুকু ছিল, পুরোপুরি নেওয়ার চেষ্টা করেছি আমরা। সুযোগ-সুবিধার ভালো-মন্দ থাকবেই। এর ভেতর থেকে যতটুকু ভালো জিনিস নেওয়া যায়, আমরা চেষ্টা করেছি নেওয়ার। আমি মনে করি, খুব ভালোভাবেই ক্রিকেটাররা প্রস্তুত আছে।’
অনুশীলন ছাড়া সবই করছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। এমন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছিল দেশ রূপান্তর। সেই প্রসঙ্গ তুলে আনলে অধিনায়ক শান্ত বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘সবাই খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে। সম্প্রতি সিরিজগুলো খুব ভালো যায়নি আমাদের বা ব্যাটাররা রান করেনি। তবে কালকে একটা নতুন দিন। আমরা কেউই জানি না কে ভালো খেলবে বা কে দলকে জেতাবে। তবে সবাই দলকে জেতানোর জন্য প্রস্তুত এবং ১৫ জনের সবার সেই সামর্থ্য আছে।’
কতটা সামর্থ্য আছে বা প্রস্তুতিই আসলে কতটুকু নিয়েছে বাংলাদেশ দল, সেটা আগামীকাল ভোরে তারা মাঠে নামলেই প্রমাণ হয়ে যাবে।
গালি দিলেও দর্শকরা ঠিকই খেলা দেখবেন বাংলাদেশের, বিশ্বাস শান্তর
আগে কী হয়েছে সেটা নিয়ে চিন্তা নেই শান্তর
হেরে সব দোষ বোলারদের ঘাড়ে চাপালেন বাবর