পাটুরিয়া-আরিচা ঘাটে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীর চাপ বাড়লেও নেই যানবাহনের চাপ। যাত্রীরা ভোগান্তি ছাড়াই পার হচ্ছেন পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাট দিয়ে। ঈদের ছুটিতে কর্মস্থল থেকে নিজ গন্তব্যে ফিরছেন তারা। আজ শুক্রবার সকাল থেকে এ দুই নৌরুটে ফেরি ঘাটের তুলনায় লঞ্চ ঘাটে যাত্রী সাধারণের ভিড় দেখা গেছে।
জানা গেছে, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রবেশদ্বার পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহনের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এক সাথে কাজ করে যাচ্ছে ঘাট সংশ্লিষ্ট বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে রয়েছে ছোট-বড় ২২টি ফেরি ও ৩০টি লঞ্চ।
শুক্রবার দুপুরে এ দুই নৌ-রুটে সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লোকাল বাসগুলো পাটুয়িয়া ঘাটে পুরাতন ট্রাক টার্মিনালে থামছে। যাত্রীরা এ ট্রামিনাল থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে পাটুরিয়া লঞ্চ ঘাটে যাচ্ছেন। কোনও কোনও যাত্রীর সঙ্গে ভারি মালামাল থাকায় তারা অটোরিকশা, ইজিবাইকে করে ফেরি ঘাটে যাচ্ছেন। অপরদিকে আরিচা ঘাটে যাত্রীরা ফেরির থেকে লঞ্চ ও স্পিডবোট বেশি পারাপার হচ্ছেন। নৌ-পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা লঞ্চ ও স্পিডবোট অতিরিক্ত যাত্রী বহন রোধে দায়িত্ব পালন করছে।
নবীনগর থেকে আসা পোশাক শ্রমিক রাজু বলেন, রাস্তায় তেমন কোনও জ্যাম না থাকায় অল্প সময়ে তিনি তার পরিবার নিয়ে ঘাটে এসে পৌঁছেছেন। তবে অন্য সময়ের তুলনায় সামান্য ভাড়া বেশি দিয়ে আসতে হয়েছে তাদের।
অপর যাত্রী জসিম উদ্দিন ঢাকা শ্যামলী থেকে এসেছেন। যাচ্ছেন পাবনা। ঢাকা থেকে ৩০০ টাকায় ঘাটে পৌঁছালেও নেই কোনও অভিযোগ। তবে তিনি খুশি ভোগান্তি ছাড়াই ঘাটে আসা মাত্রই লঞ্চে উঠতে পারায়।
বিআইডব্লিউটিএ উপ-পরিচালক মামুনুর রশিদ বলেন, প্রতিটি স্পিডবোট ও লঞ্চে তাদের নির্ধারিত যাত্রী পারাপারের নির্দেশনা দেওয়া আছে। প্রত্যেক ঘাটে আমাদের বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা/কর্মচারী, নৌ-পুলিশ, র্যাব, আনসার বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে দুর্ঘটনা রোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে তাদের নিজস্ব টিম কাজ করে যাচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ দেশ রূপান্তরকে জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে ছোট বড় ১৭টি ও আরিচা-কাজিরহাট রুটে রো-রো ৫টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় এ রুটে ৬০ ভাগ যানবাহন পারাপার কমে গেছে। যে কারণে যানবাহন ঘাটে পৌঁছানো মাত্রই ফেরি দিয়ে নির্বিঘ্নে পারাপার হচ্ছে।
বন্ধুকে বাচাঁতে গিয়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু
সুশান্তের মৃত্যুর সত্যিটা কী? জানতে চান বোন শ্বেতা
মালয়েশিয়ায় রৌপ্য জিতেছেন রিতু