অস্টিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতেছে ফ্রান্স। আত্মঘাতী গোলের জয়ে বড় অবদান কিলিয়ান এমবাপ্পের। তার ক্রস রুখতে যেয়েই বল নিজেদের জালে পাঠান অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার।
ম্যাচের শেষ দিকে বল দখলের লড়াইয়ে হেড করতে গিয়ে অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার কেভিন দানসোর সঙ্গে সংঘর্ষে নাকে বাজেভাবে আঘাত পান এমবাপ্পে।
এ সময় তাঁর নাক থেকে রক্ত ঝরতে দেখা যায়। মাঠে কিছুক্ষণ প্রাথমিক চিকিৎসার পর এমবাপ্পেকে সাইড লাইনে নেয়া হয়।
এরপর এমবাপ্পে রেফারির (ম্যাচ অফিসিয়াল) অনুমতি ছাড়া মাঠে ঢুকেই নাক ধরে বসে পরেন। রেফারি এমবাপ্পেকে হলুদ কার্ড দেখান। ঝুঁকি না নিয়ে দেশম এমবাপ্পেকে বদলি করেন।
এরপর এমবাপ্পেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ফ্রান্স ফুটবল জানায়, এমবাপ্পের নাক ভেঙেছে। তবে লাগবে না অপারেশন। কিছুদিন মাস্ক পরতে হবে তাকে।
এমবাপ্পে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, 'মাস্ক নিয়ে কোন আইডিয়া?' সঙ্গে জুড়ে দেন মাস্কের ইমোজি।
এমবাপ্পে ইউরোতে ফ্রান্সের পরের ম্যাচেই ফিরবেন কিনা বা তকে কতদিন মাঠের বাইরে থাকতে গবে সেই বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়।
তাকে ডুসেলডর্ফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে বিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, 'সে ফরাসি দলের বেস ক্যাম্পে ফিরেছেন। অবিলম্বে অস্ত্রোপচার না করেই আগামী দিনে তার চিকিৎসা শুরু হবে।'
সংঘর্ষের পর ফ্রান্স এমবাপ্পের পরিবর্তে অলিভিয়ের জিরুদকে দলে নিতে চেয়েছিল, কিন্তু তাদের পরিবর্তন করতে না দিয়ে খেলা আবার শুরু হয়।
এমবাপ্পে বিনা অনুমতিতে মাঠে নামলে দেখেন হলুদ কার্ড। পরে তাকে ছেড়ে যেতে হয়।
