জেলা সদরের চরচরাবাড়ি দক্ষিণপাড়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে রনি ইসলাম (৩৪) একই গ্রামের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছিলেন। ২০১৮ সালের ওই ঘটনায় সদর থানায় মামলা হয়। ধর্ষণের কারণে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দেয়। শিশুটির বয়স এখন পাঁচ বছর। মামলাটি আদালতে চলমান। আসামির বিরুদ্ধে ছিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। কিন্তু ঘটনার পর থেকে আসামি ছিলেন পলাতক।
অবশেষে পলাতক আসামি রনিকে পাঁচ বছর পর গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেন র্যাব-১৩ নীলফামারীর সিপিসি-২-এর সদস্যরা। গতকাল বৃহস্পতিবার নীলফামারী সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলাম জানান, আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
র্যাব-১৩-এর স্কোয়াড্রন লিডার উপপরিচালক (মিডিয়া) মাহমুদ বশির আহমেদ বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যা¤েপর একটি আভিযানিক দল গত বুধবার সন্ধ্যায় নীলফামারী রেলওয়ে স্টেশনের প্রধান ফটকের সামনে থেকে আসামি রনি ইসলামকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়।
ধর্ষক রনি ইসলাম গ্রেপ্তারের খবরে ওই ছাত্রী জানায়, আমি এবার বিচার পাব। আসামির সঙ্গে আমার মেয়ের ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে পরিষ্কার হয়ে যাবে আসামি অপরাধী।
