মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পাঁচ দিনের ব্যবধানে ছয়টি রাসেলস ভাইপার ধরা পড়েছে। উপজেলার পদ্মা নদীর তীরবর্তী লৌহজং-তেউটিয়া ইউনিয়ন, গাওদিয়া, হলদিয়া, কুমারভোগ ও মেদেনীমন্ডল গ্রামে এ রাসেলস ভাইপার ধরে পড়ে।
এদিকে গতকাল শনিবার রাসেলস ভাইপার থেকে সতর্ক থাকতে লৌহজং উপজেলা প্রশাসন থেকে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়ির আশপাশের ঝোপ-জঙ্গল পরিষ্কারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জেলা সদর ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে রাসেলস ভাইপার সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বন নিয়ে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, সর্বশেষ গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হলদিয়া ইউনিয়নের হলদিয়া গ্রামে একটি রাসেলস ভাইপার ধরা পড়ে। আগের দিন শুক্রবার মেদেনীমন্ডল ইউনিয়নের মেদেনীমন্ডল ও শিমুলিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দুটি রাসেলস ভাইপার ধরে স্থানীয়রা। এ ছাড়া গত বৃহস্পতিবার গাওদিয়া ইউনিয়নের শামুরবাড়ি গ্রামে, বুধবার লৌহজং-তেউটিয়া ইউনিয়নের ঘোড়দৌড় বাজার এলাকায় এবং মঙ্গলবার কুমারভোগ ইউনিয়নের চরে একটি করে রাসেলস ভাইপার ধরে পড়ে।
লৌহজং উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন তপন বলেন, পদ্মা তীরের গ্রামগুলোতে রাসেলস ভাইপারের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ধরাও পড়েছে। এ ছাড়া গ্রামগুলোয় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
যেকোনো প্রজাতির সাপে কামড়ালে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুরুল আলম। তিনি বলেন, রাসেলস ভাইপার কামড়ালে সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু হয় এ তথ্য সত্য নয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে চিকিৎসা করতে পারলে বেশিরভাগ রোগীই বেঁচে যান। তিনি আরও বলেন, জেলা শহরের মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম তথা বিষ প্রতিষেধক সরবরাহ রয়েছে। কাজেই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
