লেবারের ফেরার আশায় অভিবাসীরা

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২৪, ১২:১৪ এএম

আগামী ৪ জুলাই যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এবার প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন দেশটির অভিবাসীরা। তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য। যে দেশকে নিজের বলে পরিচয় দিতে বেছে নিয়েছেন, সেখানে পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখার আশা করছেন তারা। যুক্তরাজ্যে ১৪ বছর ধরে ক্ষমতায় আছে কনজারভেটিভ পার্টি। কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের দলকে হারিয়ে বিরোধী লেবার পার্টি ব্যাপকভাবে জয়লাভ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে কমনওয়েলথ দেশগুলোর শরণার্থী ও অভিবাসীরা এবার ভোট দেবেন। প্রধানত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাবেক অঞ্চল যেমন নাইজেরিয়া, ভারত ও মালয়েশিয়া। প্রত্যাশা পাঞ্জাক (২৭) গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটেনে যান। এই যুবক রয়টার্সকে বলেন, তিনি তার জন্মভূমি ভারতে নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি। তবে এবার ব্রিটেনে ভোট দেওয়ার জন্য তিনি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

ম্যানচেস্টারের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন কাজ করা পাঞ্জাক বলেন, ‘আমার দেশে অন্য দেশের নাগরিকদের ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না... আমি এখানে স্টুডেন্ট ভিসায় এসেছি। কিন্তু তারা ব্রিটিশ নাগরিকদের মতো আমাদের সেই সুযোগ দিচ্ছে।’

সালফোর্ডের বাসিন্দা মালয়েশীয় শিক্ষার্থী তেহ ওয়েন সান (৩৩) বলেন, তিনি দুটি প্রধান দলের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য দেখতে পাননি। তবে তিনি এমন একটি দলকে ভোট দিতে আগ্রহী, যারা অভিবাসীদের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য।

ব্রিটেনে ভোটের লড়াইয়ে অভিবাসন ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রক্ষণশীলরা জয়ী হলে সুনাক অভিবাসনের মাত্রা কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কারণ অনেক ব্রিটিশ ভোটারের উদ্বেগ রয়েছে, এই মাত্রা খুব বেশি হওয়ায় রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। সুনাক ইতিমধ্যে ভিসার নিয়ম কঠোর করেছেন। তার রুয়ান্ডায় আশ্রয়প্রার্থীদের পাঠানো নীতি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ওয়িংকানসোলা দিরিসু (৩১) ম্যানচেস্টারের একজন কেয়ার গিভার। তিনি ২০২২ সালে ব্রিটেনে যান। লেবার পার্টির পক্ষে ভোট দিতে উন্মুখ জানিয়ে তিনি বলেন, তিনি চান, এমন কেউ এবার ক্ষমতায় আসুক, যাতে তার মতো লোকদের ব্রিটেনে যাওয়া সহজ হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত