নরওয়ের ইউনিভার্সিটি অব ট্রমসো থেকে সাইফুলের ফেলোশিপ অর্জন

আপডেট : ০২ জুলাই ২০২৪, ১১:৪৩ পিএম

চিত্রশিল্পী ও গবেষক ড. এস এম সাইফুল ইসলাম সম্প্রতি নরওয়ের বিখ্যাত দ্য আর্কটিক ইউনিভার্সিটি অব ট্রমসো থেকে একটি মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ অর্জন করেছেন। তিনি চলতি মাসের (জুলাই) দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে সেখানে ভিজিটিং স্কলার হিসাবে গবেষণার কাজ শুরু করবেন।

নরওয়ে কর্তৃপক্ষ মনে করেন, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান স্কলার এবং বাংলাদেশের শিল্পতাত্ত্বিকদের মধ্যে একটি একাডেমিক সেতুবন্ধন তৈরি হওয়া প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে ড. এস এম সাইফুলকে নরওয়ে কর্তৃপক্ষ নির্বাচন করেছেন। ড. সাইফুল একাধারে চিত্রশিল্পী, গবেষক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি বঙ্গীয় শিল্পকলা চর্চার আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের রিসার্চ ফেলো। চিত্রকলা, শিল্পকলার ইতিহাস, মুঘল চিত্রকলা ও স্থাপত্য এবং সুফিবাদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি কাজ করছেন।

নরওয়ের খ্যাতিমান হেরিটেজ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. টোনা ব্লাইয়া নরওয়ের দ্য আর্কটিক ইউনিভার্সিটি অব ট্রমসোর স্ক্যান্ডিনেভিয়ান হেরিটেজ ইনিশিয়েটিভ— এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান। তিনিই ড. এস এম সাইফুলের তত্ত্বাবধায়ক।

১৬-১৮ শতকের ডেনিশ-নরওয়েজিয়ান ছিটমহল, ঔপনিবেশিক ইতিহাস, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান মিশন, সাঁওতাল ও বাঙালির সাংস্কৃতিক ইতিহাস এবং শিল্প—ঐতিহ্য বিষয়গুলো নিয়ে প্রফেসর ব্লাইয়ার প্রণিধানযোগ্য গবেষণাকর্ম রয়েছে। তিনি প্রত্যাশা করেন, বাংলাদেশ ও নরওয়ের মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে গবেষকগণ শিল্প-সংস্কৃতি-ইতিহাস বিষয়ে কাজ করতে উদ্যোগী হবেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে নরওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তখন থেকেই বাংলাদেশ-নরওয়ের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। অবিভক্ত বাংলার ইতিহাসে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান, সাঁওতাল ও বাঙালিদের মধ্যে সম্প্রীতির তথ্য মেলে। 

নরওয়ের দ্য আর্কটিক ইউনিভার্সিটি অব ট্রমসোতে ড. এস এম সাইফুল ইসলাম উল্লিখিত বিষয়সহ ইসলামি চিত্রকলা ও স্থাপত্য, মুঘল মিনিয়েচার ও সুফিজম বিষয়ে কাজ করবেন। দেশে-বিদেশে কিছু উল্লেখযোগ্য চিত্রপ্রদর্শনীতে তার অংশগ্রহণ রয়েছে। এছাড়া তিনি বিভিন্ন জার্নাল ও পত্রপত্রিকায় শিল্পকলা বিষয়ক প্রবন্ধ ও নিবন্ধ লিখে থাকেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত