খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আটকা পড়ে বহু যানবাহন। গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে আলুটিলার সাপমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটকে পড়া যাত্রীরা জানান, ভোরে সাপমারা এলাকায় পাহাড়ের মাটি ধসে যাওয়ায় এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে যান চলাচল বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে সড়কের মাটি সরানোর কাজ শুরু করেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। এ ছাড়া দীঘিনালা-লংগদু সড়কের হেডকোয়ার্টার এলাকায় সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় রাঙ্গামাটির লংগদুর সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ডুবে গেছে মেরুং বাজার। টানা বর্ষণে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়ন ও কবাখালি ইউনিয়নের ২৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। টানা বর্ষণের কারণে মাইনী নদীর পানি বেড়ে বন্যার সৃষ্টি হয়। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
মেরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদা বেগম লাকি বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) রাতে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে মেরুং ইউনিয়নের ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মেরুংয়ের হেডকোয়ার্টার এলাকায় সড়কে পানি উঠে যাওয়ায় লংগদুর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
অন্যদিকে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের সঙ্গে খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। পাহাড়ি ঢলে সাজেক-খাগড়াছড়ি সড়কের বাঘাইহাট বাজার, মাচালং বাজারসহ একাধিক স্থানে সড়কের ওপরে পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পর্যটকবাহী যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকে আটকা পড়েছেন শতাধিক পর্যটক। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।
