ইউরো চলাকালীন সময়েই ঘোষণা দিয়েছেন এটাই তার শেষ আসর। এবার ফ্রান্সের কাছে টাইব্রেকারে হেরে ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে পর্তুগালের বিদায়ের পর সিআর সেভেনের ক্যারিয়ার নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। অনেকেই বলছেন, শুধু ইউরো নয়, দেশের জার্সিতেও হয়তো শেষ ম্যাচটা খেলে ফেলেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। আসলে কি তাই?
ফ্রান্সের কাছে হারের পর রোনালদোর হাত জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার দীর্ঘদিনের সতীর্থ পেপে। এতে অবসর গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। তবে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগালের কোচ মার্তিনেজ এত আগেভাগে এমন কিছু ভাবতে মানা করেছেন, “ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই এটা নিয়ে কথা বলাটা একটু আগেভাগেই হয়ে যায় এবং ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।”
এর আগে ইউরোর শেষ ষোলোয় স্লোভেনিয়াকে হারানোর পর রোনালদো বলেছিলেন, “কোনো সন্দেহ নেই অবশ্যই এটাই শেষ (ইউরো। তবে আবেগ ছুঁয়ে যাচ্ছে না। ফুটবলের সবকিছুই আমাকে প্রভাবিত করে। খেলাটির প্রতি এখনো আমার যে উৎসাহ, দর্শকের আগ্রহ, পরিবারকে পাওয়া, লোকজনের ভালোবাসা...ব্যাপারটা আসলে ফুটবল–বিশ্ব ছেড়ে যাওয়া নয়। আমার জেতার বা করার জন্য আর কীই-বা বাকি আছে?”
৩৯ বছর বয়সী রোনালদো পর্তুগালের হয়ে ২১২ ম্যাচে ১৩০ গোল করেছেন রোনালদো। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার চেয়ে বেশি গোল কেউ করতে পারেননি, বেশি ম্যাচও কেউ খেলেনি। তবে এবারের ইউরোতে তিনি টাইব্রেকার ছাড়া গোল পাননি। ১০টি শট নিলেও একবারও বল জালে জড়ায়নি। এই প্রথম মেজর আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে থেকে গোলহীন থেকেই বিদায় নিলেন রোনালদো।
খলনায়ক ফেলিক্স নয় ‘দুর্ভাগ্য’: পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ
ইউরো থেকে বিদায় রোনালদোর