তিনি মাঠে থাকলে নাকি পিএসজি কখনো হারে না আবার বার্সেলোনা খুব একটা জেতেও না। পরিসংখ্যান তো এমনটাই বলছে। একের পর এক ম্যাচে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দিয়ে তিনি আলোচনায় থাকেন। চলতি ইউরোতে শুক্রবার রাতে স্প্যানিশ লেফট ব্যাক মার্ক কুকুরেল্লার হাতে বল লাগলেও তিনি পেনাল্টি দেননি। তাই ফের শুরু হয়েছে তার সমালোচনা।
ইংল্যান্ডের এই কোচের ক্যারিয়ারজুড়েই আছে বিতর্ক। গত বছর সেভিয়া আর রোমার মধ্যকার ইউরোপা লিগের ফাইনালে ১৩টি কার্ড দেখিয়েছিলেন টেইলর। এর ৭টি যায় রোমার বিপক্ষে। দল ফাইনালে হেরে যাওয়ায় বিমানবন্দরে টেইলরের ওপর চড়াও হন রোমার সমর্থকেরা। এ ঘটনায় এক সমর্থককে গ্রেপ্তারও করেছিল পুলিশ।
একই বছর নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচে তার দেওয়া একটি পেনাল্টি গিয়েছিল উলভসের বিপক্ষে। উলভস ম্যানেজার গ্যারি ও’নিল যাকে ‘অসম্মানজনক’ বলেছিলেন। এরপর টেইলরকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেছিল পেশাদার রেফারিদের সংগঠন পিজিএমওএল। এমনকী তাকে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব থেকে সরানোও হয়।
গত এপ্রিলে লিভারপুল বনাম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যাচে টেইলরের দেওয়া একটি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়। ইউনাইটেড ডিফেন্ডার ওয়ান বিশাখা লিভারপুলের হার্ভি এলিয়টকে ফাউল না করলেও তিনি লিভারপুলকে পেনাল্টি উপহার দেন।
এবার ইউরোতে তিনি ফের বিতর্কে। শুক্রবারের ম্যাচটির ১০৫ মিনিটে ১-১ সমতা ছিল। স্পেন বক্সের বাইরে থেকে গোল করতে শট নেন জার্মান মিডফিল্ডার জামাল মুসিয়ালা। বলটি গিয়ে লাগে বক্সের ভেতর থাকা স্প্যানিশ লেফট ব্যাক মার্ক কুকুরেল্লার বাঁ হাতে। রেফারি টেইলর পেনাল্টির বাঁশি বাজাননি। ভিএআর রেফারিও তার পক্ষেই রায় দেন।
মজার বিষয় হলো, এই ম্যাচটিতেও ১৭টি কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি টেইলর, যার মধ্যে ১৬টি হলুদ কার্ড এবং ১টি লাল কার্ড। শেষ মুহূর্তে ওই লাল কার্ডটি দেখেছেন দানি কারভাহাল। সোশ্যাল মিডিয়াতেও চলছে টেইলরের মুণ্ডুপাত। ম্যাচটি হেরে ইউরো থেকে বিদায় নেয় জার্মানি।
বিসিএসে দ্বিতীয় হয়েও যোগ দেননি জিয়ার স্ত্রী লাবণ্য
ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটা খেলে ফেললেন রোনালদো?
‘সবাই ভুলে গিয়েছিল, আমার ভাইও একজন মানুষ’
আমাদের স্বপ্ন ভেঙে গেল: টনি ক্রুস