ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের ৬ নম্বর মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচনের আড়াই বছর পর শপথ নিয়ে পরিষদ চালাচ্ছেন নৌকার মো. ফরিদ মিয়া। দীর্ঘ সময় পর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে ফরিদ মিয়া শপথ গ্রহণ করলেও পরিষদের ওয়েবসাইটে এখনও চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন লাঙল প্রতীকের মো. সাইদুল ইসলাম বাবুল।
নৌকার চেয়ারম্যান মো. ফরিদ মিয়ার শপথ গ্রহণের দেড় মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আপডেট হয়নি ইউনিয়ন পরিষদের গুগল সাইট। এতে এলাকার বাইরে থাকা অনেক সেবা প্রার্থীরা পড়ছেন বিড়ম্বনায়। ব্যাহত হচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাস করা ওই ইউনিয়নের মানুষের সেবা। তাদের দাবি অতিদ্রুত সাইটটি সংশোধন দায়িত্বশীল চেয়ারম্যানের নাম ও মোবাইল নম্বর সংযোজনের।
আজ শনিবারও (৬ জুলাই) মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের সাইটে দেখাচ্ছে পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম বাবুল। কিন্তু মামলার রায়ের পর শপথ গ্রহণ করে বর্তমানে পরিষদের দায়িত্ব পালন করছেন মো. ফরিদ মিয়া। সাইটটি সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছিল ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১৪ তারিখে।
জানা গেছে, ২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় ইউপি নির্বাচন। নির্বাচনে উপজেলার মাইজবাগ ইউপিতে লাঙল প্রতীকের প্রার্থী সাইদুল ইসলাম বাবুলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তখন নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে ওই বছরের ২৯ মার্চ মো. ফরিদ মিয়া জেলা নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে আদালত ইউপির ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দেন। ভোট পুনর্গণনা করা হলে লাঙলের প্রার্থীর চেয়ে নৌকা প্রার্থী ২৬৬ ভোট বেশি পান। তাতে মামলার রায় ফরিদ মিয়ার পক্ষে আসে। এতে নির্বাচনের আড়াই বছর পর চলতি বছরের ১৫ মে বুধবার তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
চাকরি সূত্রে ঢাকায় অবস্থানকারী মাইজবাগ ইউনিয়নের বাসিন্দা মাহমুদুল হাসান বলেন, ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একজন কিন্তু গুগল সাইটে দেখাচ্ছে আরেকজনের ছবিসহ নাম ও মোবাইল নাম্বার। এতে আমাদের মতো যারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছি তারা নানা ধরনের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। ওয়েবাসাইট দেখে চেয়ারম্যানকে কল দিলে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে লাঙল প্রতীকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সাইদুল ইসলাম বাবুল বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনও মামাল চলমান। গুগল সাইটে এখনও আমিই চেয়ারম্যান। ইউনিয়নবাসী নানা কাজে এখনও আমাকে ফোন দেয়।
এ বিষয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. ফরিদ মিয়া বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এটি দ্রুত সংশোধনের জন্য আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। জেনে যতদ্রুত সম্ভব সাইটটি সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হঠাৎ উধাও ১৩০০ বছর আগের ঐতিহাসিক ‘জাদুর’ তলোয়ার!
ভিনি না থাকায় যে কারণে জিততে পারে ব্রাজিল