যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় এক নির্বাচনী প্রচারণায় বন্দুকধারীর গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হামলায় তার ডান কানের ওপরের অংশ ফুটো হয়ে গেছে বলে জানিয়েছিলেন ট্রাম্প নিজেই।
হামলার পরপরই স্থানীয় এক হাসপাতালে নেয়া হয় ট্রাম্পকে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি, শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হয়েছে। ট্রাম্প হাসপাতাল থেকে নিউ জার্সির বাড়িতে ফিরেছেন বলে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জোশ শাপিরোর বরাতে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, হাসপাতাল ছাড়ার পর শনিবার গভীর রাতে পেনসিলভানিয়ার বাটলার এলাকা ত্যাগ করেন ট্রাম্প। তাকে বহনকারী বিমানটি রবিবার সকালে নিউ জার্সির নেওয়ার্ক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।
ট্রাম্পের ওপর হামলার ঘটনায় তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছিল তার সমর্থকসহ বিশ্ববাসীর মধ্যে। তিনি কেমন আছেন, কী অবস্থায় আছেন সেই প্রশ্নই ছিল সবার মনে।
তবে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার মুখপাত্র স্টিভেন চিয়াং জানিয়েছেন, ট্রাম্প ভালো আছেন। এছাড়া সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে যে ট্রাম্প বর্তমানে নিরাপদ আছেন।
হামলার ঘটনায় কানে গুলি লাগলেও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন মার্কিন এই সাবেক প্রেসিডেন্ট। আকস্মিক ওই হামলার বিষয়ে ট্রাম্প জানান, নির্বাচনী প্রচারণার সময় তার কানে গুলি করা হয়েছে। তিনি জানান, তার মনে হচ্ছিল কান ঘেঁষে একটি বুলেট চলে গেল।
গুলিতে আহত হওয়ার পর পরই নির্বাচনী প্রচারণার মঞ্চ থেকে ট্রাম্পকে সরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সিক্রেট সার্ভিস এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিকে ট্রাম্পের ওপর হামলার ঘটনাকে হত্যাচেষ্টা বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে স্থানীয় সময় শনিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
ট্রাম্পের ওপর হামলার ঘটনায় যা বলছেন বিশ্বনেতারা