‘হামার ভাই নাই, ট্যাকা দিয়া কী করমো। ট্যাকা আজ আছে, কাল নাই। হামার ভাইয়োক তো আর ঘুরি পামো না। ভাই বাঁচি থাকলে কুটি কুটি ট্যাকা কামাই করলি হয়। ট্যাকা সবারই ঘরোত আছে।’
গতকাল সোমবার বিকেলে রংপুরের পীরগঞ্জে মদনখালী ইউনিয়নের বাবনপুর গ্রামে নিহত আবু সাঈদের বাড়িতে গেলে তার ভাই রিকশাচালক বকুল মিয়া বলছিলেন এসব কথা।
প্রধানমন্ত্রী ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পর তিনি আরও বলেন, ‘এই ঈদে আসি ভাই হামাক কয়া গেছে, “ভাই, দেখেন হামার ওপর লেবেলে চাকরি হবি। এটা নিশ্চিত থাকেন, চিন্তা করেন না।” তখন হামরা মনে করছিনু হামার হেরে সবারই মনের আশা পুরুন হবি।’
১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক ও ইংরেজি বিভাগের ১২তম বর্ষের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন।
