কিছু তারকা থাকেন যাদের জন্য আকুলভাবে অপেক্ষা করে থাকে অলিম্পিকের মঞ্চ। তাদেরই একজন যুক্তরাষ্ট্রের জিমন্যাস্ট সিমোন বাইলস। গত রাতে আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকসের নারীদের দলগত ইভেন্টে দেশকে স্বর্ণ এনে দিয়ে প্যারিস অলিম্পিক যাত্রা শুরু করেছেন সিমোন।
এ ইভেন্টে একবারের জন্য মনে হয়নি যুক্তরাষ্ট্র কোনো চাপে আছে। সিমোন বাইলস তার বিখ্যাত ফ্লোর ইভেন্ট দিয়ে শেষ করার পর হেসে-খেলে স্বর্ণপদকটি জিতে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। অলিম্পিকে এটি তার অষ্টম পদক এবং পঞ্চম স্বর্ণ। তিন বছর আগে টোকিও অলিম্পিকের দুঃসহ স্মৃতি যে পেছনে ফেলে এসেছেস সিমোন, সেটিই প্রমাণ করলেন এ নৈপুণ্যে।
আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্সের দলগত বিভাগে চারটি রোটেশন হয়। প্রতিটি রোটেশনে চারটি করে এক্সারসাইজ করতে হয় প্রতিযোগীদের। এর পর সবার স্কোর যোগ করে নির্ধারিত হয় বিজয়ী।
সিমোন বাইলসের দলে আরও ছিলেন জেড ক্যারে, জর্ডান চাইলস, সুনিসা লি এবং হেজলি রিভেরা। তারা ১৭১.২৯৬ স্কোর করে জিতে নেন স্বর্ণ। এ ইভেন্টে ১৬৫.৪৯৪ স্কোর করে রৌপ্য জিতেছে ইতালি। ১৬৪.৪৯৭ স্কোর নিয়ে ব্রোঞ্জ পদকেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ব্রাজিলকে।
এ ইভেন্ট দেখতে উপস্থিত হওয়া সবগুলো দৃষ্টি নিবদ্ধ ছিল সিমোন বাইলসের দিকে। দর্শকের সারিতে ছিলেন সিমোনের বাবা রন বাইলস, মা নেলি বাইলস ও স্বামী জোনাথন ওয়েনস। মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এদিন খেলা দেখতে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের টেনিস কিংবদন্তি সেরেনা উইলিয়ামস। কানায় কানায় ভর্তি গ্যালারিকে হতাশ করেননি বাইলস। আমেরিকার হয়ে চারটি রোটেশনেই অংশ নেন তিনি। চোট পাওয়ায় পায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা থাকলেও তাতে সমস্যা হয়নি অলিম্পিকে অষ্টম পদক জিতে নিতে। জর্ডান চাইলসও সবগুলি রোটেশনে নামেন। ভল্ট ছাড়া বাকি তিনটি রোটেশনে নামেন সুনিসা লি। জেড ক্যারে একমাত্র ভল্টে অংশ নেন।
বল হাতে দুর্দান্ত রিংকু-সূর্য, সুপার ওভারে লঙ্কাবধ ভারতের
ইউক্রেনকে হারিয়ে শেষ আটে আর্জেন্টিনা