অন্তর্র্বর্তী সরকারের দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলানো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম সাংবাদিক এবং দপ্তরের কর্মকর্তাদের বলেছেন, তাকে ‘স্যার’ সম্বোধন করার কোনো প্রয়োজন নেই।
গতকাল রবিবার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাকে স্যার ভাবারও দরকার নেই, স্যার বলারও দরকার নেই। আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে এখানে এসেছি, আমি জনগণের পক্ষ থেকে জনগণের দাবিদাওয়া নিয়ে এখানে এসেছি।’
নতুন দেশ গড়তে সবার কাছে সহযোগিতা চান নাহিদ ইসলাম। বিশেষ কারণ ছাড়া তার ছবি প্রচার না করারও অনুরোধ করেন।
প্রথমে অন্তর্র্বর্তী সরকারের ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পেলেও পরে এর সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয় ২৬ বছর বয়সী এই তরুণকে।
চলচ্চিত্র নিয়ে আরও কাজ করতে হবে : নাহিদ ইসলাম মনে করেন, চলচ্চিত্র নিয়ে আগামীতে আরও কাজ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মের অনেক আকাক্সক্ষা চলচ্চিত্র নিয়ে, কিন্তু সেই আকাক্সক্ষা পূরণ হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘সেন্সরের বিষয়টি আমরা পুনর্বিবেচনা করছি। যে অভিযোগগুলো এসেছে, যে সিনেমাগুলো সেন্সরের কারণে এখনো আসেনি, সেগুলো নিয়ে আমরা দ্রুতই বসব। সেন্সর বোর্ডকে আমরা পুনর্গঠন করব। সেন্সর বোর্ড না থাকার দাবি যেটি, সেটিও আমরা আলোচনা করে যৌক্তিকতা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেব।’
