বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ শেষ হবে আসছে ৩ সেপ্টেম্বর। বাফুফে ফিফার কাছে সময় চেয়ে ২৬ অক্টোবর নির্বাচনের দিন চূড়ান্ত করেছে। তবে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল হক নির্বাচন পেছানোর দাবি জানিয়েছেন।
বিএনপিপন্থি সাবেক ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকরা শনিবার বাফুফে ভবনে মানববন্ধনের আয়োজন করেন। বাফুফে ভবনের সামনে ‘দুর্নীতি হটাও ফুটবল বাঁচাও’ ব্যানারে হওয়া মানববন্ধনে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের দাবি করা হয়। পদত্যাগ না করলে ক্রীড়াঙ্গনে সালাউদ্দিনকে অবাঞ্ছিত করার কথাও বলা হয়েছে।
আমিনুল বলেন, ‘বন্যা ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন পেছানোর জন্য ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছি।’ সালাউদ্দিনের অধীনে বাফুফেতে কোনো নির্বাচন চান না বলেও জানিয়েছেন আমিনুল। ‘দেশের জনপ্রিয় খেলা ফুটবলে দুর্নীতি হয়েছে। তার সভাপতি থাকার নৈতিক কোনো অধিকার নেই। বিবেকবোধ থাকলে তিনি পদত্যাগ করবেন। আমরা তার অধীনে ফুটবল ফেডারেশনে কোনো নির্বাচন চাই না। এই বিষয়টি একেবারে স্পষ্ট।’ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ফুটবলার ও কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক, কায়সার হামিদসহ আরও অনেকে।
এদিকে গতকাল অনলাইনে বাফুফের জরুরি নির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার মূল বিষয় ছিল বাফুফের চেক স্বাক্ষর সংক্রান্ত। তবে নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়। অনলাইন সভায় চার সহ-সভাপতির মধ্যে শুধু ইমরুল হাসানই অংশগ্রহণ করেছিলেন। বাফুফের চেকে স্বাক্ষর দেওয়ার এখতিয়ার সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদের। আব্দুস সালাম মুর্শেদী পদত্যাগ করেছেন। কাজী নাবিল রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে নিখোঁজ। চেক লেনদেনের জন্য এই তিনজনের মধ্যে দুজনের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। সভায় বাফুফে সহ-সভাপতি ইমরুল হাসানকে ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষারের স্বাক্ষর প্রদানের এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে সভায়। এখন থেকে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সহ-সভাপতি নাবিল ও সাধারণ সম্পাদক ইমরানের মধ্যে যেকেনো একজনের স্বাক্ষরে লেনদেন করতে পারবে বাফুফে।
