বিশ্বকাপ বাছাইয়ে টানা তিন হারের বৃত্ত কাটিয়ে জয়ের ধারায় ফিরেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। কুরিতিবায় কৌতো পেরেইরা স্টেডিয়ামে ইকুয়েডরকে ১-০ গোলে হারিয়েছে তারা। তাতে লাতিন অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তিন পয়েন্ট তুলে নেওয়ার সঙ্গে স্বস্তি যোগ হয়েছে ব্রাজিল তাবুতে।
গত বছর অক্টোবরে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ১–১ গোলে ড্রয়ের পর ব্রাজিল হেরেছে টানা তিন ম্যাচ। সেই অক্টোবরেই হেরেছে উরুগুয়ের কাছে, তারপর নভেম্বরে কলম্বিয়া ও পরে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে যেতে হয়। গত কোপায় উরুগুয়ের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার পর বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ৭ম রাউন্ডে মাঠে নেমেই জয় পেলো ব্রাজিল। জয়সূচক একমাত্র গোলটি এসেছে রদ্রিগোর পায়ে।
বক্সের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন ব্রাজিল ফরোয়ার্ড রদ্রিগো। মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা বল পেয়ে তাকে পাস বাড়ান। বল নিয়েই উল্টো দিকে ঘুরে ইকুয়েডরের এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে শট নেন রদ্রিগো। ইকুয়েডরের এক ডিফেন্ডারের গায়ে বলটা না লাগলে রিয়াল মাদ্রিদ তারকার শট হয়তো ঠেকিয়ে দিতে পারতেন ইকুয়েডর গোলকিপার এরনান গালিন্দেজ। তার দুর্ভাগ্য, বলের গতিপথ খানিকটা পাল্টে গিয়েছিল। পোস্টের মাঝে দাঁড়িয়েও তাই ডান দিক দিয়ে বলের জালে আশ্রয় নেওয়া ঠেকাতে পারেননি। ম্যাচের ৩০ মিনিটেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
প্রথমার্ধে গোল হজমের পর ইকুয়েডর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তবে ইকুয়েডরও গোলের সুযোগ পেয়েছে। যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে বক্সের বাইরে ভালো জায়গায় ফ্রি–কিক পেয়েছে ইকুয়েডর। কিন্তু ইকুয়েডরের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ময়েজেস কাইসেদোর শট ঠেকাতে কষ্ট হয়নি ব্রাজিল গোলকিপার অ্যালিসনের। তার আগে ৮৯ মিনিটে উইঙ্গার জন মেরকাদোর হেডও রুখে দেন লিভারপুলের এই গোলকিপার।
প্রথমার্ধে ৭০ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে ৫টি শট নিয়ে ২টি ইকুয়েডরের পোস্টে রাখতে পেরেছে ব্রাজিল। ইকুয়েডর ৩টি শট নিয়েই ২টি রাখতে পেরেছে পোস্টে। প্রথমার্ধে যোগ করা সময়ের তৃতীয় ও চতুর্থ মিনিটে দুটি শটই নেন কাইসেদো। বিরতির পর ইকুয়েডরের পোস্টে ১টি শট রাখতে পেরেছে ব্রাজিল। বল দখলের হারেও এসেছে পরিবর্তন। দুই অর্ধ মিলিয়ে ব্রাজিল বল দখলে রেখেছে ৫৭.৪ শতাংশ সময়। ৪২.৬ শতাংশ সময় বল দখলে রেখেছে ইকুয়েডর। এ জয়ে ৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের পয়েন্ট টেবিলে চারে উঠলো ব্রাজিল।
২০০৮ সালের পর ফ্রান্স হারালো ইতালির
৭ দেশের বিপক্ষে ৭ সেঞ্চুরির অনন্য কীর্তি পোপের