যৌন হেনস্থার অভিযোগে পরিচালক অরিন্দম শীলকে প্রত্যাখ্যাত করেছে করেছে ডিরেক্টর্স গিল্ড। ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে সমাজমাধ্যমে একাধিক অভিনেত্রী ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তবে শুধু অরিন্দম শীল নন, অন্য দিকে বহু অভিনেত্রীও সুযোগ নিয়েছেন বলে দাবি শ্রীলেখা মিত্রের।
ভারতীয় গণমাধ্যমে শ্রীলেখা বলেন, “অরিন্দম শীলের পরিচালনায় আমি একটাই ছবি করেছিলাম — ‘স্বাদে আহ্লাদে’। তার পরে কিন্তু তিনি আমাকে আর কোনও কাজে নেননি। আমার যদিও ওর সঙ্গে এমন কোনও অভিজ্ঞতা নেই। আসলে অরিন্দমের পরিচালনায় যে অভিনেত্রীরা বেশি কাজ করেছেন, তারা আরও ভালো বলতে পারবেন। নিন্দুকেরা তো বলেই থাকেন, অরিন্দমের সঙ্গে কয়েকজন অভিনেত্রীর সম্পর্কও ছিল।”
অরিন্দমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, শট বোঝানোর সময়ে তিনি অভিনেত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করেছেন। শ্রীলেখা জানান, তার নিজের সরাসরি এমন অভিজ্ঞতা না থাকলেও আগেও বেশ কয়েকজন অভিনেত্রী অরিন্দমের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে ছবিতে কাজ পাওয়ার জন্য অভিনেত্রীরাও সুযোগ নিয়েছেন বলে দাবি শ্রীলেখার।
তার কথায়, “সব সময় কিন্তু পুরুষেরাই দোষী হন না। অনেক সময় কিন্তু মেয়েরা নিজেরাই আগ্রহী থাকেন।”
অতিমারির সময় একটি ভিডিও করে একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন শ্রীলেখা। তিনি বলেন, “চার বছর আগে আমি ইন্ডাস্ট্রির এই অন্ধকার দিকগুলি নিয়ে কথা বলেছিলাম। তখন আমার কথা শুনে রূপাঞ্জনা মিত্র বলেছিলেন, আমি ‘ভিক্টিম’ সাজছি।” অরিন্দম শীলের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরে শ্রীলেখার দাবি, “ইন্ডাস্ট্রির কিছু মানুষ নিজের সুবিধা মতো বেছে বেছে বিপ্লব করেন। আমার নামে কেউ একটা কথা বলে দেখুক। আমাকে কিন্তু কোনও নায়ক, পরিচালক বা প্রযোজকের সঙ্গে প্রেম করে কাজ পেতে হয়নি। আসলে আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এই বিষয়টা খুব স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। আলোচনা হয়, ইন্ডাস্ট্রিতে কার বাবু কে? আর এইগুলো না করলেই কোণঠাসা করা হয়। যেমন আমাকে কোণঠাসা করা হয়েছে।”
অভিনেত্রী কিছু দিন আগেই মালয়ালম ছবির পরিচালক রঞ্জিতের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন। তার পরেই ঋতাভরী চক্রবর্তী বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতেও হেমা কমিটির মতো একটি কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন। শ্রীলেখার আক্ষেপ, কোথাও তার নাম উল্লেখ করা হল না। তার কথায়, “আমি এটা শুরু করলাম। জাতীয় স্তরে আমাকে নিয়ে লেখালিখি হল। কিন্তু এখানে কেউ আমার কথা উল্লেখ করল না।”
হিরো আলমকে মারধর, সঙ্গে কান ধরে উঠবস
কন্যা সন্তানের মা হলেন দীপিকা