এবার সাফ শ্রেষ্ঠত্বে চোখ কিশোরদের

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:৩৭ এএম

সম্প্রতি নেপাল থেকে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ শিরোপা জিতে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। এবার একই লক্ষ্য নিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে ভুটান যাচ্ছে বাংলাদেশের কিশোররা। সেখানে ২০ সেপ্টেম্বর শুরু হবে সাত জাতির এই আসর। গেল বছর এই আসরটির বয়সশ্রেণি ছিল অনূর্ধ্ব-১৬ বছর। ভুটানেই ফাইনালে ভারতের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার ভারত ও বাংলাদেশ একই গ্রুপ এ-তে। গ্রুপের অন্য দল মালদ্বীপ। ২০ সেপ্টেম্বর উদ্বোধনী ম্যাচে গতবারের দুই ফাইনালিস্ট মুখোমুখি হবে একে অন্যের। বাংলাদেশের অন্য ম্যাচটি ২২ সেপ্টেম্বর মালদ্বীপের বিপক্ষে। অনূর্ধ্ব-১৭ দলের কোচের দায়িত্ব পালন করছেন বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর সাইফুল বারী টিটু। গতকাল মঙ্গলবার এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের কোচ টিটু ও অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সাল দলের লক্ষ্য এবং প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।

ভুটানের অপরিচিত আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার খুব কম সময় পাচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলাররা। সেখানে পৌঁছে একদিন পরেই তাদের খেলতে হবে চ্যাম্পিয়ন ভারতের বিপক্ষে। মাত্র এক মাসের প্রস্তুতি নিয়ে এই টুর্নামেন্ট খেলতে যাওয়া দলটির কোচ সাইফুল বারী টিটু বলেন, ‘আমরা মোটামুটি চার সপ্তাহ অনুশীলন করেছি। গ্রুপের প্রথম ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ১৮ তারিখ ভুটান পৌঁছে ২০ তারিখ একটা ম্যাচ খেলব। আবার ২২ তারিখ মালদ্বীপের বিপক্ষে খেলব। গ্রুপের দুটো ম্যাচই আমাদের খুব অল্প সময়ের মধ্যে খেলতে হবে। এটার জন্য আমরা চেষ্টা করেছি ফিজিক্যালি সর্বোচ্চ ফিটনেস যেন থাকে।’

টিটু গত বছরে ভারতের কাছে ফাইনালের হারের বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘ভারতের কাছে অনূর্ধ্ব-১৬ সাফে আমরা ফাইনালে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছি। ভারতের বিপক্ষে আগের দলকে মাথায় রেখেই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। কারণ অনূর্ধ্ব-১৬ সাফের দলটাই এখন অনূর্ধ্ব-১৭ সাফে খেলবে। সেই হিসাব করেই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। আর প্রথম ম্যাচের পরেই প্রতিপক্ষের সামর্থ্য নিয়ে একটা ধারণা হয়ে যাবে।’

প্রথম ম্যাচে ভারতকে হারাতে পারলে সেমিফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যাবে। অধিনায়ক নাজমুল চান সেই কঠিন লক্ষ্যটাই পূরণ করতে, ‘আমরা এক মাস যাবৎ আমাদের হেড কোচ, অ্যাসিসট্যান্ট কোচের সঙ্গে কাজ করছি। আমরা সবার নিজেদের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করছি। অনূর্ধ্ব-১৬ সাফে আমরা ভারতের কাছে ফাইনালে হেরে রানার্সআপ হয়েছিলাম। এবার আমরা নিজেদের শক্তি-দুবর্লতা নিয়ে কাজ করেছি। এবার প্রথম ম্যাচ যেহেতু ভারতের বিপক্ষে, ওই ম্যাচটা ভালো করলে আমরা এগিয়ে থাকব। দ্বিতীয় ম্যাচে আমাদের প্রতিপক্ষ মালদ্বীপ। প্রথম ম্যাচে জয় পেলে আমরা সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে থাকব।’

এক ম্যাচে জয় পেলেই সাফের সেমিফাইনাল অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যাবে বাংলাদেশের। ৩০ সেপ্টেম্বর ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এবারের আসরের। অনূর্ধ্ব-২০ সাফের মতো অনূর্ধ্ব-১৭ দলও শিরোপা নিয়েই ফিরতে চায়। তবে তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ফাইনালে খেলা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত