গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের কুরুয়াবাদা ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী আল আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি ফেসবুকের মাধ্যমে এলাকায় জানাজানি হলে লজ্জায় মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে ওই শিক্ষার্থী। এতে তার লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম। মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অভিভাবকরা।
স্থানীয়রা জানান, আল আমিনের বড় ভাই আনোয়ার হোসাইন ওই মাদ্রাসার সুপার। আরেক বড় ভাই সহকারী সুপার।
এ ছাড়া ওই মাদ্রাসার আরও একাধিক পদে আছেন তাদের আপনজন। ফলে তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পান না কেউ।
আল আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে এর আগে ধর্ষণের অভিযোগও আছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে হুমকি-ধমকিসহ নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছে আল আমিনের পরিবার। কারণ তারা এলাকায় প্রভাবশালী। ১৮ দিন ধরে লজ্জায় মেয়েটি মাদ্রাসায় যেতে পারছে না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আল আমিন মিয়া বলেন, ‘আমার মোবাইল থেকে ওই শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোনে এসএমএস গেছে, এটা ঠিক। তবে সেটা আমি পাঠাইনি। কেউ গোপনে শত্রুতা করে পাঠিয়েছে।’
এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্তের বড় ভাই ও কুরুয়াবাদা ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আনোয়ার হোসাইনের ফোনে একাধিকবার কল করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
