ফুটবলের দেশ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়া মানে সমর্থকদের দুই ভাগ হয়ে যাওয়া। বাংলাদেশে দুই দলেরই বিপুল সংখ্যক সমর্থক আছে। এবার ফিফা ফুটসাল বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।
উজবেকিস্তানে গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ফিফা ফুটসাল বিশ্বকাপ। সেমিফাইনালে ইউক্রেনকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। ১২ বছর পর তার এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠল। অন্যদিকে গতকাল দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে দিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ঠিক যেন গত ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালের পুনরাবৃত্তি!
ফুটসাল খেলাটা অনেকটা ফুটবলের মতোই। ফুটবলের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট বল নিয়ে খেলা হয়। ফুটবল মাঠের তুলনায় এই খেলার মাঠও বেশ ছোট- দৈর্ঘ্য ৩৮ থেকে ৪২ মিটার, প্রস্থ ২০ থেকে ২৫ মিটার হয়ে থাকে। ঘাসের বদলে মাঠ হয় হার্ডকোর্টের। প্রতি দলে ৫ জন করে খেলোয়াড়। যত খুশি তত খেলোয়াড় বদলি করা যায়। কারও কারও চোখে এটি ফুটবলের ঘরোয়া সংস্করণ কিংবা ‘হোম ফুটবল’।
আগামী রবিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় তাসখন্দের হুমো অ্যারেনায় অনুষ্ঠেয় ফাইনাল ঘিরে ব্রাজিলের উইঙ্গার পিতো বলেছেন, ‘এমন ম্যাচ, যেখানে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের ফাইনালে, এর চেয়ে বড় ম্যাচ আর হয় না। আমার মতে ফুটসাল–ঈশ্বর নিজে এই ম্যাচ ঠিক করেছেন, আর সেটা তো ফাইনালই হবে।’
অন্যদিকে আর্জেন্টিনার গোলকিপার নিকো সারমিয়েন্তো বলেছেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই, ফুটসালের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় ম্যাচ। আমার মনে হয়, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনায় জন্ম নেওয়া সবাই এমন ম্যাচের স্বপ্ন দেখেন। বিশ্বের বাকিদের কাছেও এটা স্বপ্নের ম্যাচ। আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডার্বিও, সবাই এই ম্যাচ দেখতে চায়।’
‘বিশ্বকাপ না জিতে বিয়ে করব না’ -সত্যিই এমনটা বলেছিলেন রশিদ?
প্রথম টি-টোয়েন্টি ঘিরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, ক্রিকেটারদের হোটেল ত্যাগে বারণ