রাজধানীর গাউসুল আজম সুপার মার্কেটে বিএনপির সাবেক নেতার আটটি দোকান দখলের অভিযোগ উঠেছে সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। দখল করতে না পেরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে নিউ মার্কেট থানায় একাধিকবার অভিযোগও করেছেন বিএনপির নিউ মার্কেট থানার সাবেক কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ও ব্যবসায়ী জালাল আহম্মেদ জসিম।
অভিযোগ উঠেছে, ১৭ বছর ধরে গাউসুল আজম মার্কেট সমিতির সভাপতির পদ ধরে রেখেছেন আওয়ামী লীগের মোতালেব মিয়া। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর নিজের আধিপত্য ধরে রাখতে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কামাল হোসেনকে মার্কেটের সেক্রেটারি করার চেষ্টা করেন। তখন জালাল আহম্মেদ জসিমের নেতৃত্বে ব্যবসায়ীরা সভাপতি মোতালেব মিয়ার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেন। আর এতেই জসিমের ওপর অত্যাচার শুরু করেন মোতালেব ও কামাল।
এ বিষয়ে গত ৩ অক্টোবর দোকান বন্ধ ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে চাঁদাবাজি এবং দোকান দখল করার অভিযোগে নিউ মার্কেট থানায় ব্যবসায়ী জসিম অভিযোগ করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মার্কেটের আগের কমিটির ১১ জনই পলাতক। এতে মার্কেটের বিদ্যুৎ বিল, হোল্ডিং ট্যাক্সসহ মার্কেট পরিচালনা করতে সমস্যা হচ্ছে দোকানিদের। তাই নতুন করে মার্কেটের নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা করেন। সেই সভায় নিউ মার্কেট থানার ওসি মোহসীন উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। এর কিছুদিন পর মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল জোরপূর্বক মার্কেটের বাইরের লোকবল নিয়ে সাধারণ সম্পাদক বলে নিজেকে দাবি করেন। কিন্তু তিনি মার্কেট কমিটির নির্বাচিত সদস্য নন। এ বিষয়ে আমি হস্তক্ষেপ করলে আমার ভাড়া দোকান ও নিজ দোকানের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করেন। দোকান দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেন।’
দোকান দখলের অভিযোগের বিষয়ে জানতে কামাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সমবায় অধিদপ্তর থেকেই অনুমতি দিয়েছে। আর দোকান দখল বা চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি যতদূর জানি জালাল সাহেবের দোকানের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার কারণে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।’
