দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেছেন, ‘কাচা মরিচের দাম এখন ৭০০ টাকা (প্রতি কেজি) কেন? আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনার সিন্ডিকেট কি এখনও সক্রিয়? তারা যদি এখনও সক্রিয় থাকে, দয়া করে তাদের খুঁজে বের করে নাম প্রকাশ করার জন্য কাউকে নিয়োগ করুন।’
শনিবার (১২ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘নির্বাচন ও নতুন বাংলাদেশ’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। ‘বাংলাদেশ সত্যের শক্তি’ এই সংলাপের আয়োজন করে এবং সংগঠনের আহবায়ক লেখক ও কলামিস্ট রাকেশ রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।
নির্বাচন নিয়ে ফারুক বলেন, ‘দ্রুত সংস্কার করুন, আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তবে নির্বাচন কবে হবে, এ বিষয়ে আপনার (অন্তবর্তীকালীন সরকারের) কাছ থেকে আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য দরকার, যাতে ফখরুদ্দিন-মইনুদ্দিনের স্মৃতি আবার মানুষের মনে না জাগে’।
ফারুক বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিন বলেছিলেন, তারা শিগগিরই জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। কিন্তু তারা তা করেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা যা করেছে, তা হচ্ছে হাসিনার সাথে যৌথ ষড়যন্ত্র।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘চোখের চিকিৎসার নামে শেখ হাসিনা লন্ডন ও আমেরিকায় মঈনুদ্দিনের অদৃশ্যমান প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিন আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার চুক্তি করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছিল।’
আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের গুন্ডাদের মালিকানাধীন অবৈধ অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে এবং পূজাম-পে নৈরাজ্য সৃষ্টি করবে এটাই স্বাভাবিক।
প্রশাসন থেকে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের গোষ্ঠীগুলোকে সরানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফারুক বলেন, আওয়ামী লীগের সব দোসরকে সচিবালয় ও সাংবিধানিক সংস্থা থেকে বিতাড়ন না করা পর্যন্ত শহীদ মুগ্ধ ও অন্যদের আত্মত্যাগের সঠিক মূল্যায়ন হবে না। তিনি গত ১৬ বছরে শেখ হাসিনা ও হিদুস্তানের (ভারত) মধ্যে স্বাক্ষরিত সব চুক্তি প্রকাশ করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
ট্রাভেল কার্ড ইস্যু নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা