সিলেট স্ট্রাইকার্সের মালিকানা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কিছুদিন আগেই মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার বিরুদ্ধে মামলা হয়। রাজধানীর পল্লবী থানায় করা সেই মামলার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। এই মামলা জটিলতা চলাকালীনই বিপিএলের ড্রাফট থেকে মাশরাফীকে দলে নিয়েছে সিলেট স্ট্রাইকার্স।
মাশরাফীর অধীনেই প্রথমবার রানার্সআপ হয়েছিল ফ্র্যাঞ্জাইজিটি। গত মৌসুমেও সিলেটের হয়ে খেলেছিলেন, তবে ফিটনেস সমস্যা ও অনিয়মিত বোলিং নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। ফ্র্যাঞ্চাইজি তখন জানিয়েছিল, মাশরাফি মাঠে শুধু উপস্থিত থাকলেই তারা খুশি। কিন্তু কিছু ম্যাচ খেলার পর জাতীয় সংসদের কাজে ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ান মাশরাফী।
এবার বিপিএলের আগে সিলেট তাকে ধরে না রাখায় মাশরাফীর বাদ পড়ার গুঞ্জন উঠেছিল। তবে সোমবারের ড্রাফটে নিজেদের দ্বিতীয় ডাকেই মাশরাফীকে ক্যাটাগরি 'বি' থেকে দলে নেয় সিলেট স্ট্রাইকার্স। এই ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের মূল্য ৪০ লাখ টাকা।
মাশরাফীককে নিয়ে সিলেট স্ট্রাইকার্সের মালিক মামুনুল হক বলেন, ‘মাশরাফি আমাদের দলে অনেক দিন ধরে আছে। তার ব্যাপারে আগে থেকেই আমাদের পরিকল্পনা ছিল। আমরা সেভাবেই তাকে নিয়েছি। মাশরাফি অনেক বছর ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িত। গত বছর হয়তো সেভাবে সময় দিতে পারেনি। কিন্তু আগের বছর সে ভালো করেছে। এবারও আশাকরি ভালো কিছু করবে।’
সিলেট স্ট্রাইকার্সের সাবেক মালিক সারোয়ার চৌধুরী মাশরাফীর বিরুদ্ধে মামলা করেন এই অভিযোগে- মাশরাফি ও তার সহযোগীরা জোর করে তার কাছ থেকে সিলেট স্ট্রাইকার্সের মূল প্রতিষ্ঠান ফিউচার স্পোর্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের মালিকানা ছিনিয়ে নেন।
এ প্রসঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজি ফেসুবক এক পোস্টে জানায়, 'মাশরাফির সঙ্গে সিলেট স্ট্রাইকার্সের মালিকানার কোনো সম্পর্ক নেই, এবং তার নামে কোনো মালিকানাও নেই।' বরং তারা সারোয়ার চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলে, তিনি তার অংশের কোটি কোটি টাকা পরিশোধ না করেই যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।
কেমন হলো শাকিব খানের দল
চিটাগং কিংস সাকিবের কততম ফ্র্যাঞ্চাইজি