টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে ১৩৭ বছরের পুরনো এক কীর্তি ভাঙার স্বপ্নে বিভোর ভারত। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৪৬ রানে অলআউট হওয়ার পরও যদি জিতে যায় তাহলেই সেটা হয়ে যাবে। ৫০ রানের নিচে অলআউট হয়েও টেস্ট জয়ের ঘটনা মাত্র একটি, সেটা ১৮৮৭ সালে সিডনিতে ৪৫ রানে অলআউট হয়েও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতেছিল ইংল্যান্ড। বেঙ্গালুরুতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ৪০০ পার করে ফেলা ভারত শেষ ৭ উইকেট হারিয়েছে ৫৪ রানের ব্যবধানে। ভারত ৪৬২-তে অলআউট হলে কিউইরা পায় ১০৭ রানের লক্ষ্য। সেটি সম্ভব হয়েছে সরফরাজ খান ও রিশভ পান্তের ব্যাটে ভর করে। প্রথশ ইনিংসে শূন্য রানে আউট হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি (১৫০ রান) করেন সরফরাজ খান।
প্রথম ইনিংসে ৩৫৬ রানে পিছিয়ে থাকা ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে ঝড় তোলে। সরফরাজ চতুর্থ টেস্ট খেলতে নেমে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন। ১৯৫ বলে ১৮ চার ও ৩ ছক্কায় ১৫০ করেন। পান্তের সামনে সুযোগ ছিল আরও একটি সেঞ্চুরির। কিন্তু নিশ্চিত শতরানটা মাঠে ফেলে এলেন ১০৫ বলে ৯৯ রানে ফিরে। ৯টি চার এবং ৫টি ছক্কা দিয়ে সাজানো তার ইনিংসে ছিল প্রতিপক্ষকে কৌশলগতভাবে বিপর্যস্ত করে দেওয়ার মানসিকতা।
টিম সাউদিকে হাঁটু মুড়ে মারা পান্তের সুইপ স্টেডিয়ামের চালে গিয়ে পড়ার পর বিস্মিত হন ২২ গজের অপর প্রান্তে থাকা লোকেশ রাহুল। এই পান্তই নাকি হাঁটুতে চোট পাওয়ায় উইকেট কিপিং করতে পারছেন না! চতুর্থ দিনে ২১ ওভার খেলার সুযোগ ছিল কিন্তু ব্যাটিংয়ে নেমে নিউজিল্যান্ড মাত্র ৪ বল খেলার পর দেখা দেয় আলোক স্বল্পতা। এরপর শুরু হয় বৃষ্টি। তাই শেষ দিনে লক্ষ্যটা একই থাকছে।
