গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে রাজনৈতিক দল ও প্রতিষ্ঠানেরও সংস্কার জরুরি বলে মনে করেন বিশিষ্টজনরা। তারা বলেছেন, নতুন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, সম্প্রদায় নির্বিশেষে নাগরিকদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। জুলাই-আগস্ট ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের প্রধান বার্তা হচ্ছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
গতকাল বুধবার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদের উদ্যোগে ‘গণ-অভ্যুত্থান-গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র : নাগরিক বিতর্ক’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এসব কথা বলেন।
সভায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের রূপান্তরের জন্য গণ-অভ্যুত্থান শক্তির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা যাবে না। বিভাজন ও অনৈক্য দেখা দিলে তাতে কেবল পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তিই লাভবান হবে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদের আহ্বায়ক শেখ আবদুন নূরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন সাবেক এমপি রুমিন ফারহানা, সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান প্রমুখ।
