আদালত অবমাননরা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেলেন বিএনপিপন্থি ছয় আইনজীবী। তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। একই সঙ্গে আদালতে উপস্থিত না থাকায় আবেদনকারীকে ১ লাখ টাকা খরচা (কস্ট) দিতে নির্দেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ। এ অর্থ তিন সপ্তাহের মধ্যে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে জমা দিতে হবে। গতকাল রবিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগ এ আদেশ দেয়।
অব্যাহতি পাওয়া ছয় আইনজীবী হলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (সুপ্রিম কোর্ট বার) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব কায়সার কামাল, সংগঠনের সুপ্রিম কোর্ট বার ইউনিট শাখার সাবেক সভাপতি আবদুল জব্বার ভূঁইয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ফাহিমা নাসরিন মুন্নী, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান। তাদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। এ মামলায় সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলীকে অভিযুক্ত করা হলেও তিনি ইতিমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন। গত ১২ জুন আইনজীবীদের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল আপিল বিভাগ।
গত বছর আগস্টে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় বিচারকদের ‘শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ’ উল্লেখ করে বক্তব্য দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দুই বিচারপতির পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি ও সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। বিএনপির আইনজীবীদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে আইনজীবী মোহাম্মদ নাজমুল হুদার পক্ষে ২৯ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুথী আপিল বিভাগে আবেদন করেন। সাতজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান আবেদনকারী আইনজীবী।
