সংবাদ সম্মেলনে নেতারা

খুলনায় জাপাকে নিঃশেষ করতেই কার্যালয়ে হামলা

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৭:২৯ এএম

‘খুলনা মহানগর ও জেলা জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিকা- ছিল পরিকল্পিত। পূর্বে এমন আশঙ্কায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জানানোর পরও এমন ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় পার্টিকে নিঃশেষ করতেই কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এমন হামলা হয়েছে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।’

গতকাল রবিবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন খুলনা জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মধু।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় জাতীয় পার্টি একাত্মতা প্রকাশ করে রাজপথে নেমেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহ করেছে। এমনকি ঢাকায় আলোচিত হেফাজতের আন্দোলনের সময় জাতীয় পার্টি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল। এরপরও জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগ তথা ফ্যাসিবাদের কথিত দোসর আখ্যা দিয়ে জনগণ থেকে বিছিন্ন করার অপচেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, ঢাকা ও খুলনাসহ দেশের যেসব স্থানে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলা হয়েছেÑ তার সঠিক ও সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ছাত্র-জনতা এ হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। যারা দীর্ঘ দিন ধরে জাতীয় পার্টির খুলনা কার্যালয়টি দখল নিতে চায় তাদের উসকানিতে তৃতীয়পক্ষ এ হামলা চালাতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে খুলনা মহানগর জাপার সহসভাপতি শেখ নাজমুল কবির সাদি, তৈয়মুর হোসেন শাহীন ও আশরাফুল আসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, জেলা জাপার সহসভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর ও শাহ মো. লায়েক উল্লাহ, জেলা যুব সংহতির সভাপতি ডা. সৈয়দ আবুল কাশেম, দপ্তর সম্পাদক মো. রহমত উল্লাহ, মহানগর জাপার সভাপতি তোবারেক হোসেন তপু, সদস্য সচিব মো. রাসেল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ব্যানারে শতাধিক ব্যক্তি নগরীর শহীদ হাদিস পার্ক থেকে মিছিল নিয়ে নগরীর প্রাণকেন্দ্র ডাকবাংলো মোড়ে আসে। এ সময় তারা জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সাইনবোর্ড নামিয়ে ফেলে। পরে তারা কার্যালয়ের মধ্যে প্রবেশ করে ভেতরের চেয়ার-টেবিল, টেলিভিশন, আসবাবপত্র ও দরজা-জানালা ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে তারা বেশ কিছু আসবাবপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র কার্যালয়ের সামনে বেবিস্ট্যান্ডে নিয়ে এসে আগুন ধরিয়ে দেয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত