জাতীয় লিগে আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি দিয়ে জাতীয় দলে ঢুকেছিলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। অভিষেকও হয়েছে টেস্টে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলা শেষে জাতীয় লিগের জন্য মাঠে ফিরেই সেঞ্চুরির কাছে পৌছে গিয়েছিলেন। কিন্তু সোমবার কক্সবাজার একাডেমি মাঠে ম্যাচের শেষ দিনে ১ রানের আক্ষেপে পুড়তে হয়েছে তাকে।
৯৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা অঙ্কন দিনের দ্বিতীয় বলেই উইকেটকিপারকে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান ঢাকার অধিনায়ক। এরপর দলকে এগিয়ে নেন তাইবুর রহমান। অভিজ্ঞ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান খেলেন ৬১ রানের ইনিংস। শেষ দিকে সুমন খান ৩২, নাজমুল ইসলাম ২৬ ও রিপন মন্ডল ২৮ রানের ইনিংস খেলে দলকে চারশ পার করান।
পরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪০ বলে ৩৯ রান করেন চট্টগ্রামের তরুণ ওপেনার পারভেজ হোসেন। প্রথম ইনিংসে চমৎকার সেঞ্চুরি করা সাজ্জাদুল হক এবার করেন ৯ রান। তবে তার হাতেই ওঠে ম্যাচ সেরার পুরস্কার।
তিন ম্যাচে এই প্রথম পয়েন্ট পেল চট্টগ্রাম। ২ পয়েন্ট নিয়ে সবার নিচে তারা। সমান ম্যাচে তিন ড্রয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে ঢাকা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস: ৩৭১
ঢাকা ১ম ইনিংস: ১৩২.৫ ওভারে ৪০১ (আগের দিন ২৮১/৪) (মাহিদুল ৯৯, মোসাদ্দেক ৫, তাইবুর ৬১, শুভাগত ২, সুমন ৩২, নাজমুল ২৬, রিপন ২৮, এনামুল ১*; ইফরান ১৩.৫-০-৫২-৩, শরিফ ২০-৪-৫৩-১, মুরাদ ৩৯-৪-১০৫-৩, নাঈম ৪৭-১২-১৩১-৩, ইয়াসিন ১২-০-৪০-০, পারভেজ ১-০-৯-০)
চট্টগ্রাম ২য় ইনিংস: ৩২ ওভারে ১২৪/৪ (সাব্বির ১৯, পারভেজ ৩৯, সাজ্জাদুল ৯, ইরফান ২, নাঈম ২৪*, শামীম ১৯*; সুমন ৩-০-২১-০, শুভাগত ৭-০-১৮-১, রিপন ২-০-১১-০, নাজমুল ১৩-৩-৪২-১, মোসাদ্দেক ২-০-৮-০, এনামুল ৫-০-১৭-২)
ফল: ড্র
ম্যান অব দা ম্যাচ: সাজ্জাদুল হক
পেসার রাজা ব্যাট হাতে হয়ে উঠলেন রাজা, জেতালেন সিলেটকে