প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরই অভিবাসীদের তাড়ানো হুঙ্কার ট্রাম্পের

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৪, ০১:০৫ পিএম

অবৈধ অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাড়িয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দায়িত্বপ্রাপ্তির আগেই তার এমন হুঙ্কারে প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশিসহ যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারী অভিবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) এনবিসি নিউজের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে যাদের থাকার বৈধ অনুমতি নেই এমন মানুষকে তাড়ানো ছাড়া তার প্রশাসনের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সত্যিই কোনো বিকল্প নেই।’ এতে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারী অভিবাসীরা আতঙ্কে রয়েছেন। অনেকে স্থানীয় আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলেও জানা গেছে।

ট্রাম্পের রানিংমেট জে ডি ভ্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর ১০ লাখ অভিবাসীকে বের করে দেওয়া হতে পারে। কিন্তু কাজটা যে ততটা সহজ নয়, তা ট্রাম্পের আগের আমলেও দেখা গেছে। কারণ সে সময় তাকে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ন্ত্রণ করতে বেশ হিমশিম খেতে হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এবার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সামরিক বাহিনী থেকে শুরু করে বিদেশি কূটনীতিক পর্যন্ত সবাইকে ডেকে অবৈধ অভিবাসীদের বের করে দেওয়ার বিষয়টি বাস্তবায়ন করতে বলতে পারেন। এ কাজে রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন অঙ্গরাজ্যগুলোর নেতাদের সহযোগিতা নিতে পারেন। এমনকি যেসব রাজ্যে আইনি বিধিনিষেধ আছে, সেখানকার তহবিল বন্ধ করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপও নিতে পারেন।

তবে অভিবাসী নিয়ে কাজ করা আইনজীবীরা বলছেন, ট্রাম্পের অভিবাসী বিতাড়নের চেষ্টা ব্যয়বহুল, বিভাজন সৃষ্টিকারী ও অমানবিক হয়ে উঠতে পারে। এতে অনেক পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বলছেন, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের তুলনায় এবারে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে আরও আগ্রাসী ভূমিকায় দেখা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে মূল সমস্যা হচ্ছে, অন্য দেশ বিতাড়িত অভিবাসী গ্রহণ করবে কি না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত