ঋতু পরিবর্তনে আক্রান্ত বেশি শিশুরা

যশোর হাসপাতালে ৫ গুণ শিশু ভর্তি, ওষুধ সংকট

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০২৪, ১২:৩৩ এএম

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের ২৪ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে গত মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ভর্তি ছিল ১০৯ রোগী। গত সোমবার এ সংখ্যা ছিল ৯৮। হাসপাতালটির বহির্বিভাগেও শিশু রোগীর উপচে পড়া ভিড়। সোমবার বহির্বিভাগ থেকে ৭০০ শিশু চিকিৎসা নেয়। মঙ্গলবার সেই সংখ্যা ছিল ৬০০। যাদের বড় অংশ ঠা-াজনিত রোগে আক্রান্ত। এদিকে হাসপাতালে শিশুদের ঠা-াজনিত রোগের ওষুধ ফুরিয়ে গেছে। প্যারাসিটামল ও হিস্টাসিন সিরাপ দিয়েই সামাল দেওয়া হচ্ছে শিশু রোগীদের।  হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি ও বহির্বিভাগের শিশু বিভাগে চিকিৎসা গ্রহণকারী রোগীরা ঠা-াজনিত সর্দি-কাশি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, জ¦র, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, মাথাব্যথাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। ঋতু পরিবর্তনের কারণে সব বয়সের মানুষই ঠা-াজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতালে শিশুদের ঠা-াজনিত রোগের ওষুধের সংকট রয়েছে। গত সোমবার সকাল ১০টার দিকে অভিভাবকের সঙ্গে আরিনা নামে ৭ বছর বয়সী এক শিশু সর্দি, কাশি ও গলায় ব্যথা নিয়ে আসে হাসপাতালের বহির্বিভাগে। তার চিকিৎসায় ডাক্তার অ্যামব্রোক্স ও ফেক্সোকোল্ড নামে দুটি ওষুধ লেখেন। ঠা-াজনিত রোগের জন্য আবশ্যকীয় এ দুটি ওষুধ হাসপাতালে নেই। ফলে বাইরের ফার্মেসি থেকে কেনার পরামর্শ দেওয়া হয় রোগীর স্বজনদের। শুধু আরিনা নয়, তার মতো অনেক শিশু চিকিৎসা নিতে আসছে হাসপাতালের বহির্বিভাগে । কিন্তু তারা চিকিৎসা পেলেও ওষুধ পাচ্ছে না।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হারুন অর রশীদ শিশুদের ওষুধের সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, অন্য রোগীদের ওষুধেরও সংকট আছে। সরকারি যে ওষুধ আছে, তাই দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে। এখন টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। নতুন নিয়োগ করা ঠিকাদাররা ওষুধ সরবরাহ শুরু করলেই সংকট কেটে যাবে। বৃহস্পতিবারের (আজ) মধ্যে ওষুধ পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা করেন।

সিভিল সার্জন মাহমুদুর রহমান বলেন, ঠা-ায় শিশু রোগী বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোয় চিকিৎসকরা যথাযথ সেবা দিচ্ছেন। উপজেলা হাসপাতালগুলোয় ওষুধের কোনো সংকট নেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত