নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন ও অন্য কমিশনারদের শপথ আজ রবিবার অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর দেড়টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। সিইসি ও অন্য কমিশনারদের শপথ অনুষ্ঠানের বিষয়টি ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
কমিশনার হিসেবে যারা শপথ নিবেন তারা হলেন মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবদুর রহমানেল মাসুদ, তাহমিদা আহমদ ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
৫ আগস্ট ক্ষমতার পালাবদলের এক মাস পর ৫ সেপ্টেম্বর কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন একযোগে পদত্যাগ করে। পরে গত ২১ নভেম্বর সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে তিনি অবসরে যান। তিনি বিসিএস ১৯৭৯ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। চার কমিশনারদের মধ্যে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার অতিরিক্ত সচিব ছিলেন। আবদুর রহমানেল মাসুদ জেলা ও দায়রা জজ পদে কর্মরত ছিলেন। এ ছাড়া তাহমিদা আহমদ যুগ্ম সচিব হিসেবে অবসরে যান। অন্যজন আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) পদে কর্মরত অবস্থায় অবসরে যান।
সার্চ কমিটির প্রস্তাব করা নামের তালিকা থেকে রাষ্ট্রপতি এই পাঁচজনকে বেছে নেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আলাদা প্রজ্ঞাপনে তাদের নাম প্রকাশ করে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২-এর অধীনের নতুন ইসি গঠনে ৩১ অক্টোবর এ সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। আইনে বেঁধে দেওয়া যোগ্যতা, অযোগ্যতা অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সুনাম বিবেচনা করে সিইসি এবং নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য ১৫ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে ১০ জনের নাম জমা দেয় এই কমিটি। সার্চ কমিটি প্রস্তাবিত তালিকা থেকে একজনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং চারজনকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। তাদের মেয়াদ পাঁচ বছর। নতুন ইসির অধীনে হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
