বুমরার মতোই বেঁকে যায় হাসান মাহমুদের কনুই! তাহলে কি…

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ০২:৩২ পিএম

বোর্ডার-গাভাস্কার সিরিজের পার্থ টেস্টের প্রথম দিন থেকেই অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট সমর্থকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করছেন, ভারতের সেরা পেসার তথা ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জসপ্রিত বুমরা চাকিং করছেন। তার কনুই নাকি নির্ধারিত মাপের চেয়ে বেশি বেঁকে যাচ্ছে। কিন্তু ক্রিকেট বিশ্লেষকেরা জানাচ্ছেন, বুমরার অ্যাকশন অবৈধ নয়। উদাহরণ হিসেবে এসেছে হাসান মাহমুদের প্রসঙ্গও।

আইসিসির নিয়মানুযায়ী, বল ছাড়ার সময় বোলারের কনুই যদি ১৫ ডিগ্রির বেশি বেঁকে যায়, তাহলে সেটি অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু বুমরার ক্ষেত্রে যেটা হয় সেটাকে শরীরবিদ্যার ভাষায় বলা হয় ‘হাইপারএক্সটেনশন’। অর্থাৎ জন্মগতভাবেই বুমরার কনুই স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি প্রসারিত হয়। ঠিক যেমনটা হয় বাংলাদেশের তরুণ পেসার হাসান মাহমুদের ক্ষেত্রে। ক্যামেরার বিশেষ অ্যাঙ্গেল থেকে হাসান মাহমুদেরও হাইপারএক্সটেন্ডেড এলবো আছে বলে মনে হয়।

হাইপারএক্সটেন্ডেড কনুই ছিল পাকিস্তানের স্পিডস্টার শোয়েব আখতারের। ক্রিকেট বিশ্লেষক সৈয়দ আবিদ হোসেন সামি এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, বুমরার চেয়েও আরো বেশি হাইপারএক্সটেন্ডেড কনুই ছিল পাকিস্তানের স্পিডস্টার শোয়েব আখতারের। অস্ট্রেলিয়াতে তার অ্যাকশনকে অবৈধ প্রমাণ করার জন্য টিভি শো পর্যন্ত হয়েছিল! কিন্তু পরবর্তীতে ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি মাইকেল হোল্ডিং ধারাভাষ্যেই প্রমাণ করে দেন যে, শোয়েবের কনুইয়ের বাঁককে চাকিং ভাবার কোনো অবকাশ নেই।

কোনো বোলারের অ্যাকশন অবৈধ মনে হলে আম্পায়ার সাথে সাথে নো বল ডাকবেন এবং ম্যাচ রেফারির কাছে রিপোর্ট করবেন। সেই বোলারকে নিষিদ্ধ করা হবে বোলিং অ্যাকশন না শোধরানো পর্যন্ত। বুমরার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো আম্পায়ারই এমন অভিযোগ আনেননি। কিংবা কোনো ক্রিকেট বোদ্ধাও অভিযোগ করেননি। পার্থ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ১৮ ওভার বোলিং করে মাত্র ৩০ রানে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন বুমরা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত