বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর বাড্ডায় নিহত হাফিজুল শিকদারের (২৯) মরদেহ ৪ মাস পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
রবিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে মধ্য বাড্ডা মোল্লাপাড়া বরকতপুর কবরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার মরদেহ ওঠানো করা হয়।
সুরতহাল প্রতিবেদনে সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক রিজুয়ানুল হক উল্লেখ করেন, নিহত হাফিজুল শিকদারের বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার রঘুনাথপুর গ্রামে। তার বাবার আবু বকর শিকদার। বর্তমানে বাড্ডা রূপনগরে এলাকার ১৮৮৬ নম্বর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
আরও উল্লেখ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ২০ জুলাই বাড্ডার প্রগতি স্মরনী এলাকায় তার অটোরিকশা চালানোর সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন তিনি। এরপর পরিবার তাকে বাড্ডার বরকতপুর মোল্লা কবরস্থানে দাফন করে।
আদালতের নির্দেশে রবিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আছিফ উদ্দিন মিয়ার উপস্থিতিতে কবর থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়। এরপর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
মর্গসূত্রে জানা যায়, দুপুরে হাফিজুল শিকদারের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরে পরিবারের কাছে দেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে।
ক্রিকেট খেলতে গিয়ে রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
বিএনপিকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ