সাম্প্রতিক সময়ে প্রেক্ষাগৃহে মুি ক্ত পাওয়া সিনেমাগুলো সেভাবে দর্শক টানতে পারেনি। এরমধ্যে আজ শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে আরও নতুন দুই সিনেমা। সোহেল রানা বয়াতি পরিচালিত ‘নয়া মানুষ’ এবং সাইফ চন্দন পরিচালিত ‘দুনিয়া’। ‘নয়া মানুষ’ নির্মিত হয়েছে বানভাসি মানুষের গল্পে। আ. মা. ম.
হাসানুজ্জ ামানের ‘বেদনার বালু চরে’ গল্প অবলম্বনে মাসুম রেজার চিত্রনাট্যে এখানে উঠে আসবে চরের মেহনতী মানুষের জীবন ও প্রকৃতির খেয়ালিপনার বিভিন্ন দিক। এটি সোহেল রানা বয়াতির প্রথম নির্মাণ।
পরিচালক বলেন, ‘সিনেমা মূলত বিনোদনের জন্যই বানানো হয়, তবে কিছু সিনেমায় দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের গল্প বলা হয়। আধুনিকতা ও উন্নয়নের জন্য দিন দিন চরের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য হারিয়ে যাচ্ছে, সেই চরকে দেখানোর চেষ্টা করেছি। সব মিলিয়ে এই গল্প বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে। দর্শক নিজেকে খুঁজে পাবেন।’ তিনি আরও বলেন, “আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা চারদিকে নদীবেষ্টিত জেলা বরিশালে। চরের জীবনযাপন সম্পর্কে আমার ভালোই জানাশোনা। ঢাকায় এসে নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়ে যোগ দেওয়ার পর হাসানুজ্জ ামান ভাইয়ের সে ঙ্গ পরিচয়। বছর তিনেক আগে এক আড্ডায় ‘বেদনার বালুচর’ গল্পটি শোনান। আমি তখন সিনেমা নির্মাণের জন্য গল্প খুঁজছিলাম। সেদিনই সিদ্ধান্ত নিই, আমার প্রথম ছবির গল্প হবে এটিই।”
সিনেমাটির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন রওনক হাসান ও মৌসুমী হামিদ। ছবিতে ভাগ্যনিপীড়িত যুবক ময়েজ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রওনক এবং মৌসুমীর চরিত্রের নাম সুজলা। গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন আশীষ খন্দকার।
এদিকে সুজন হাজংয়ের কথা ও ইমন চৌধুরীর সংগীতে ছবির ‘চান্দের বাড়ি’ গানটি এরই মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। গানটি গেয়েছেন, অনিমেষ রায়-মাশা ইসলাম।
অন্যদিকে প্রায় ১০ বছর আগে সাইফ চন্দন নির্মাণ করেছিলেন ‘টার্গেট’, যেটিকে এবার মুি ক্ত দিচ্ছেন ‘দুনিয়া’ নামে। এতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে নিরব, আনিসুর রহমান মিলন, আইরিন সুলতানাকে।
সিনেমাটির নায়িকার ভাষ্যে, সপ্তাহখানেক আগে জানতে পারি যে, ছবিটি মুি ক্ত পাবে। পরিচালক সাইফ চন্দন ভাই একসে ঙ্গ হলে গিয়ে দেখার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন। আশা করছি, কাল (আজ) দর্শকসারিতে বসে ছবিটি দেখব। নিজের কাজ পর্দায় দেখতে যেকোনো অভিনেত্রীরই আনন্দ লাগে। দর্শকও দেখে আলোচনা-সমালোচনা করতে পারে।
এরপর আইরিন সুলতানা আরও বলেন, কোনো কোনো ছবি ১০ বছর ধরেও নির্মিত হতে পারে। এখন ছবির মেরিটের ওপর নির্ভর করে দর্শক পছন্দ করবে কি না। চন্দন ভাইয়ের কাজ আমি হলে গিয়ে দেখেছি। তিনি দর্শকের পালস বোঝেন। তার পরিচালিত প্রথম ছবি ‘ছেলেটি আবোল তাবোল মেয়েটি পাগল পাগল’-এও আমি অভিনয় করেছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি, দর্শক নিরাশ হবেন না। তা ছাড়া তারকাবহুল এই ছবিতে কিš‘ আনিসুর রহমান মিলন ভাই, মিশা সওদাগর ভাই, নিরব, অমৃতারাও আছেন। তাদেরও তো নিজস্ব ভক্ত আছে। আমিও আমার জায়গা থেকে সেরা অভিনয়ের চেষ্টা করেছি। সব মিলিয়ে দর্শক নিরাশ হবেন না বলে মনে করি।
