কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। গত মঙ্গলবার টেলিভিশনে দেওয়া আকস্মিক এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের সামরিক আইন জারি করার ঘোষণার মধ্য দিয়ে এই সংকটের শুরু হয়। দেশে এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির কারণে ইওলকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করার দাবি তুলেছেন তার দল পিপল পাওয়ার পার্টির প্রধান হান ডং হুন।
শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলটির প্রধান বলেন, সামরিক আইন জারির চেষ্টার কারণে ইউনকে যত দ্রুত সম্ভব বরখাস্ত করা উচিত। কোরিয়া প্রজাতন্ত্র এবং জনগণকে রক্ষা করার জন্য প্রেসিডেন্ট ইউনকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত প্রয়োজন। প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে শাসক দলের প্রধানের এই অবস্থানে দলের একটি বড় অংশের সমর্থন হারিয়েছেন ইউল।
সামরিক আইন জারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্টে ১৯০ জন সদস্য উপস্থিত হয়ে সর্বসম্মতিক্রমে সামরিক আইন প্রত্যাহার করার একটি প্রস্তাব পাস করেন। ৩০০ সদস্যবিশিষ্ট সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেলে প্রেসিডেন্ট অভিশংসনের মুখোমুখি হবেন।
