অবশেষে শীত এসেই পড়ল। শীত আর রোগের হাত থেকে বাঁচতে জীবাণু মুক্ত থাকার পাশাপাশি শরীর গরম রাখাটাও জরুরি। আর তার জন্য দরকার সঠিক খাবারও। শীতের এই সময়টা ঘরে ঘরে সর্দি, কাশি, জ্বর, গা ব্যথা লেগেই রয়েছে। বিশেষ করে সকালে যদি পুষ্টিকর খাবার থাকে তা হলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যেমন বাড়ে, তেমনই শীতের আলস্য কাটিয়ে কাজ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।শীতের সকালে শরীর গরম রাখতে এবং শক্তি জোগাতে এমন কিছু খাবার খাওয়া উচিত যা পুষ্টিকর এবং শরীরকে উষ্ণ রাখে।তাই শীতের সময় সকালবেলার প্রাতে রাখুন কয়েকটি বিশেষ খাবার।
১. গরম দুধ ও হলুদ
গরম দুধের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে খেলে শরীর গরম থাকে। হলুদে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রয়েছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
২. পায়েস বা গরম খিচুড়ি
শীতের সকালে গরম পায়েস বা খিচুড়ি খেলে শরীর গরম থাকে। এগুলো হালকা খাবার হলেও দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
৩. মধু ও আদার চা
মধু এবং আদা দিয়ে তৈরি গরম চা শরীর গরম রাখে এবং ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে।
৪. গরম স্যুপ
সবজি বা মুরগির স্যুপ শীতের সকালে আদর্শ খাবার। এটি শুধু শরীর গরম রাখে না, বরং শরীরের জন্য পুষ্টিকর।
৫. ড্রাই ফ্রুটস ও বাদাম
কাজু, কাঠবাদাম, আখরোট এবং খেজুর শরীরকে গরম রাখতে সাহায্য করে। এগুলো প্রাকৃতিক শক্তির উৎস।
৬. গুড় ও রুটি
গুড়ে আয়রন এবং ক্যালসিয়াম থাকে যা শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। ঝোলা গুড় গরম করে তাতে নারকেল কোরা দিয়ে ভেজে চিঁড়ে মিশিয়ে নিন। স্বাদ বাড়াতে কাজু বাদাম দিতে পারেন। পুষ্টিতে ভরপুর এই গুড় শরীরের জন্য ভালো,এবং গরম রুটির সঙ্গে গুড় শীতের সকালে উপভোগ্য।
৭. ওটস বা পোরিজ
গরম দুধ বা জলের সঙ্গে ওটস মিশিয়ে খেলে এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং শরীর গরম রাখে।
৮. ডিম
সেদ্ধ ডিম বা অমলেট শীতের জন্য আদর্শ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। এটি শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে।
৯. তিল ও মিষ্টি পিঠা
তিলের তৈরি খাবার বা শীতের মিষ্টি পিঠা শরীরের জন্য উষ্ণতা এনে দেয়।
১০. মশলাদার দুধ বা চা
দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ দিয়ে তৈরি মশলাদার দুধ বা চা শীতের সকালে উষ্ণ অনুভূতি দেয়।
শীতের সকালে এই খাবারগুলো খেয়ে দিন শুরু করলে শরীর গরম থাকবে এবং শীতের অস্বস্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
