নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি নির্মাণাধীন ভবনের তিনতলায় লোহার এঙ্গেল উঠাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছায়াপদ (৪৫) ও নীলদাস (৬০) নামে জামাই-শ্বশুরের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে কদমতলী বড়পুকুরপাড় এলাকায় ফয়সাল আহমেদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছায়াপদ নীলফামারীর ডিমলা থানার দক্ষিণ তিতপাড়া গ্রামের ডেজাল বর্মনের ছেলে। আর নীলদাস একই থানার পাথরখুড়া গ্রামের হরিসের ছেলে। তারা দুজনই পেশায় ভ্যানচালক এবং সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী এলাকার মনিরের বাড়ির ভাড়াটিয়া। তারা সম্পর্কে জামাই-শ্বশুর বলে জানা গেছে।
বাড়ির মালিক ফয়সাল আহমেদ জানান, ভবনের কাজের জন্য দুটি ভ্যানগাড়ি দিয়ে লোহার এঙ্গেল আনা হয়। গাড়িচালক ছায়াপদ ও নীলদাস এঙ্গেলগুলো ভবনের তিনতলার ছাদে উঠাচ্ছিলেন। এমন সময় অসাবধান বশত লোহার এঙ্গেল ভবনের ওপরের বিদ্যুতের তারে লেগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তারা তিনতলা থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান। পরে তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি শাহীনুর আলম জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউসুফ আলীর বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাহেদ হোসেন (৩৫) একই গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, নিজের জমিতে পানি দেওয়ার জন্য মোটর থেকে বৈদ্যুতিক তার খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
