পরশুরাম কবি শামসুন নাহার মাহমুদ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারি নীতিমালা না মেনে ছাত্রী ভর্তি চলছে। নিয়ম অনুসারে ১১০ জন ছাত্রী ভর্তি করার নিয়ম থাকলেও ম্যানেজিং কমিটিকে নয়-ছয় বুঝিয়ে তিন সেকশনে ভাগ করে ক্লাস চলবে এমন তথ্য দিয়ে রেজুলেশন করে ভর্তির কার্যক্রম চলে প্রতি বছর।
কিন্তু ভর্তি কার্যক্রম শেষ হলে প্রতি সেকশনে ৮০/৯০ জন ছাত্রী দিয়ে চলে শ্রেণি কার্যক্রম। এতে মেধাবী ছাত্রীদের শিক্ষার মান কমে যায়। কিন্তু বছরের শেষে ৫০ শতাংশ ছাত্রীর বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক নয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারী শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষক নিজের ইচ্ছে মত ছাত্রী ভর্তি করায় কারোর কথা কর্ণপাত করে না। যেখানে ১১০/১২০ জন ভর্তি করার কথা সেখানে ১৮০/২০০ জন ছাত্রী ভর্তি করানো হয় প্রতি বছর। এতে ছাত্রীদের পড়ালেখার মান অনেক কমে যাচ্ছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও নামান্তর লটারি দিয়ে ছাত্রী ভর্তি চলে। যা লোক দেখানো লটারি। এ ছাড়াও যারা ফরম কিনে নাই এবং লটারিতে নাম তাদেরও ভর্তি করে নেন।
এ ব্যাপারে জানার জন্য প্রধান শিক্ষকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ঢাকার চিঠির উত্তর দেয়নি ভারত
৪৩তম বিসিএসে বাদ পড়াদের নিয়ে সিদ্ধান্ত কবে, জানাল মন্ত্রণালয়