কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ৮ নম্বর যদুবয়রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের তালা প্রায় ৯ দিন পর ভেঙে দিয়েছেন নারীরা। গতকাল সোমবার হাতুড়ি দিয়ে তালা ভাঙেন সেবাপ্রত্যাশীরা। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল করে চেয়ারম্যানের বাড়িতে যান এবং চেয়ারম্যানকে ডেকে পরিষদে বসান ও সেবা নেন।
দুপুর ১২টার দিকে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পরিষদ চত্বরের বাইরে ও ভেতরে শত শত নানা বয়সী নারী। চেয়ারম্যান কক্ষে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নের কাজ করছেন গ্রাম পুলিশ। আর পরিষদের বারান্দায় বসে জন্ম নিবন্ধনের সনদে স্বাক্ষর করছেন চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান। তাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছেন নারীরা।
এ সময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নারী বলেন, মিথ্যা দোষে একটি পক্ষ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে তালা লাগিয়েছিল। সেজন্য চেয়ারম্যান পথে-ঘাটে, বনে-বাগানে বসে সই-স্বাক্ষর করছিলেন। অনেকে পরিষদে এসে ফিরে যাচ্ছিলেন। এতে চরম ভোগান্তি হচ্ছিল। সেজন্য হাতুড়ি দিয়ে কার্যালয়ের তালা ভেঙে তারা চেয়ারম্যানকে বাড়ি থেকে পরিষদে ডেকে এনেছেন।
যদুবয়রা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ষড়যন্ত্র করে কে বা কারা রাতে পরিষদ চত্বরে ছাত্রলীগের কেক কেটেছিল। সেজন্য বিএনপির লোকজন কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে ছিলেন। এতে জনগণের ভোগান্তি হচ্ছিল। তাই সোমবার শত শত সেবাপ্রত্যাশী নারীরা তালা ভেঙে তাকে পরিষদে নিয়ে এসেছেন।
কুমারখালী থানার ওসি মো. সোলায়মান শেখ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
