ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও উপসচিব। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (কলেজ) মাহবুব আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ এম এম মুজিবুর রহমান এবং উপসচিব (প্রশাসন) বেলাল হোসেনকে ওএসডি করা হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব নারায়ণ চন্দ্র নাথকে (বর্তমানে ওএসডি) কেন্দ্র করে সৃষ্ট জটিলতার পর এবার আরও দুই কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হলো।
গত ১২ জানুয়ারি রবিবার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই দুই কর্মকর্তাকে ওএসডি করার পাশাপাশি দুজনকে প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পদে প্রেষণে নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ ড. মো. পারভেজ চৌধুরী এবং উপসচিব প্রশাসন হিসেবে প্রেষণে নিয়োগ পেয়েছেন সাতকানিয়া সরকারি কলেজের গণিতের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম। এর আগে গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর আমিরুল মোস্তফাকে সরকারি সালেহ আহমদ কলেজে বদলি করা হয়। এই পদে প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া হয় নওগাঁ সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম সামছু উদ্দিনকে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড সাম্প্রতিক সময়ে ফলাফল জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মের কারণে আলোচিত ছিল। এর মধ্যে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব প্রফেসর ড. নারায়ণ চন্দ্র নাথের ছেলের ফলাফল জালিয়াতির বিষয়টি অনেক দূর পর্যন্ত গড়িয়েছে। ছেলে নক্ষত্র দেব নাথের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বাতিলও করে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড। এ ঘটনায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে তৎকালীন সচিব নারায়ণ চন্দ্র নাথকে প্রথমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলে পরিচালক পদে বদলি ও পরে ওএসডি করা হয়। বর্তমানে তখনকার সময়ের আলোচিতদের মধ্যে বাকি আছেন চেয়ারম্যান রেজাউল করিম চৌধুরী।
