পৌষ মাসের শেষ দিনটি পুরান ঢাকায় একটি বিশেষ কিছু। মূলত জানুয়ারি ১৪ ও ১৫-এ দুদিন সাকরাইন উৎসবে মাতে পুরান ঢাকার বাসিন্দারা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঘুড়ি ওড়ানো, আতশবাজি, আগুন খেলা ও মুখরোচক বিভিন্ন খাবারের আয়োজনে উদযাপিত হয় দিনটি। তবে এবারে তেমন উদ্দীপনা নেই এ উৎসব ঘিরে। আকাশে ঘুড়ির সংখ্যা আগের মতো নেই, যেন উৎসবে ভাটা পড়েছে।
সরেজমিনে গতকাল মঙ্গলবার সূত্রাপুর, গে-ারিয়া, নারিন্দা, কাগজীটোলা, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারীবাজার ঘুরে দেখা যায়, ঘুড়ি কেনাবেচায় আগের মতো ব্যস্ততা নেই। যদিও দোকান দোকানে সাজানো রয়েছে নানা রঙ, আকৃতি ও নকশার ঘুড়ি-নাটাই-সুতা। কিন্তু কোনো বেচাকেনা নেই।
শাঁখারীবাজারের এক বিক্রেতা সুপন শিকদার বলেন, ‘আগে সাকরাইন উৎসবের আগেই আমাদের সব ঘুড়ি-নাটাই বিক্রি হয়ে যেত। কিন্তু এবার আমরা যতটা আশা করেছিলাম তার চেয়ে বিক্রি কম। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়াতেই অন্য বছরের তুলনায় নেই তেমন সাকরাইনের প্রস্তুতি।
এবার শাঁখারীবাজার ছাড়া অন্য এলাকায় আগের মতো বড় কোনো অনুষ্ঠান হয়নি।
