আজও ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ০৭:২৮ এএম

স্থায়ী ও নিজস্ব ক্যাম্পাসের দাবিতে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গতকাল বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে নানা কর্মসূচি পালন করেছেন।

শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এদিনও তারা বেলা ১২টা থেকে সোয়া ৩টা পর্যন্ত ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক অবরোধ করেন। দাবি না মানলে আজ বৃহস্পতিবারও একই কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এদিকে শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলাকালে শাহজাদপুর শহরের সবগুলো অভ্যন্তরীণ সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের দুপাশে দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় শত শত যানবাহন আটকা পড়ে ও ঢাকা-পাবনার মধ্যে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে চলে যান।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয়টির বয়স ৮ বছর পার হলেও এখনো বিভিন্ন স্থানে ভাড়া ভবনে প্রশাসনিক কাজ ও একাডেমিক পাঠদান চলছে। বিশ্ব বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ও নিজস্ব ক্যাম্পাস না থাকায় ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীর অধ্যয়ন ব্যহত হচ্ছে। তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস ও আবাসন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ আন্দোলন চলবে।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম হাসান তালুকদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স ৮ বছরের বেশি অথচ একটি ঘরও পর্যন্ত নেই। এটা কী করে হয়! বিষয়টা খুবই দুঃখজনক, অন্যায় ও অনভিপ্রেত। এটির ভুক্তভোগী আমরা শিক্ষক, আমার ছাত্ররা, আমার কর্মকর্তা কর্মচারীরা। তিনি বলেন, ২০১৬ সালে যখন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলো, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ২২৫ একর জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বাংলাদেশের খুব কম সংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয়েরই এত জায়গা আছে। এত জায়গা থাকার পরেও কেন এটা হলো না?

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রথমে ৯২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারণ করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে বার বার কমিয়ে সর্বশেষ ৬০০ কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় হয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী ২৮ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত মিটিং রয়েছে বলে জানতে পারলাম। তবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এ মিটিংয়ে এটি অনুমোদনের সম্ভাবনা খুবই কম। ফলে বিষয়টি নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত