দাম বাড়াতে সারে কৃত্রিম সংকট, বিপাকে কৃষক

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৬:১৩ এএম

চুয়াডাঙ্গায় সার সরবরাহ স্বাভাবিক করতে নানামুখী উদ্যোগ নিলেও সংকট কাটেনি। ডিলারদের কাছে মিলছে না চাহিদামতো নন-ইউরিয়া সার। তবে অতিরিক্ত দামে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে সার। ফলে ভরা মৌসুমে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামেই সার কিনতে হচ্ছে কৃষকদের। এতে যেমন বাড়ছে আবাদি খরচ, তেমনি দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ৯৪ হাজার ২২০ হেক্টর জমিতে চাষ শুরু হয়েছে। এসব জমির অধিকাংশ ক্ষেতে এখন মাঠের পর মাঠ ভুট্টা চাষ করা হবে। ভুট্টা চাষের শুরুতে সারের প্রয়োজন হয় বেশি। সার সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দফায় দফায় ডিলারদের সঙ্গে বৈঠক হয়। সার সংকটকে পুঁজি করে অতিরিক্ত মূল্য আদায় না করতে বারবার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন জেলা প্রশাসক। কিন্তু সার সংকট কাটেনি।

কৃষকদের অভিযোগ, ডিলারদের কাছে গেলে চাহিদা মতো সার পাওয়া যায় না। বিঘা প্রতি ১০ কেজি সার দিচ্ছে। তাতে আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। আবার খুচরা দোকান থেকে সার পাওয়া গেলেও দাম ৩০০-৪০০ টাকা বেশি।

সদর উপজেলার বেলগাছি গ্রামের কৃষক রফিক হোসেন বলেন, ‘ভুট্টা চাষের সময় প্রচুর পরিমাণ সারের প্রয়োজন হয়। না হলে ফলন ভালো হয় না। কিন্তু সরকারি ডিলাররা সে পরিমাণ সার দিতে পারছে না। খুচরা ব্যবসায়ীরা যদিও বিক্রি করছে কিন্তু দাম বেশি।’

জেলা বিসিআইসি সার ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী বলেন, ‘এ বছরে যে পরিমাণ সারের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল তার তুলনায় আমরা সার পেয়েছি ৫৫-৬০ শতাংশ। ফলে একটি সংকট শুরু থেকেই রয়ে গেছে।’

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার বলেন, ‘সরকার কৃষকদের জন্য ভর্তুকিমূল্যে সার দিচ্ছে। সার ক্রয়-বিক্রয়ে কোনো কারসাজি বা সিন্ডিকেট করলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত