রেলওয়ের রানিং স্টাফদের কর্মবিরতির কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বাধ্য হয়ে অনেকেই ভোগান্তি সয়ে সড়কপথে গন্তব্যে ছুটছেন। এতে করে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি অলস সময় পার করছেন শ্রমিকরা। মঙ্গলবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, স্টেশন ফাঁকা তবে কয়েকজন যাত্রী থাকলেও তারা জানেন না এই কর্মবিরতির কথা। অনেকেই এসেছেন কবে নাগাদ ট্রেন চলাচল করবে জানার জন্য।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে বিজয়নগর উপজেলার মনিপুর গ্রামের কামাল মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি বিদেশে চলে যাব। আমার আমিরাতে রফ্লাইট বুধবার ভোররাত ৫টায়। ট্রেনে বিমানবন্দরে গেলে সুবিধা হয় এজন্য আসছিলাম। আমি ফেসবুকে নিউজ দেখেছি কিন্তু তাও স্টেশনে দেখে গেলাম ট্রেন চলাচল করে কিনা।
টিকেট কেটেছিলেন কিনা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে কখনো টিকেট পাইনি। ট্রেন ছাড়ার ১০ মিনিট আগে ব্ল্যাকার থেকে টিকেট কিনি।
এদিকে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে অবস্থান নিয়েছেন রানিং স্টাফরা। দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের তৃতীয় বর্ষের দুই শিক্ষার্থী রাকিব ও সুমন বলেন, রাতের ট্রেনে কক্সবাজারে যাব বলে টিকেট কেটেছিলাম। ঢাকা থেকে কয়েকজন বন্ধু ট্রেনে আসবে। আমরা দুইজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উঠব। কিন্তু ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় কক্সবাজার যাওয়া হবে না। মন খারাপ থাকায় তারা স্টেশনে ঘুরতে এসেছেন বলে জানান।
যাত্রী দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী মাস্টার সাকির জাহান বলেন, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় সবকিছু স্থবির হয়ে পড়েছে। কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ টাকা দরে মিলবে ওএমএসের চাল